বিনাখরচে বাড়ি পৌঁছাচ্ছে জন্মসনদ

আপডেট: 02:25:50 23/09/2021



img

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: মসজিদে ইমামতি করেন মণিরামপুরের স্মরণপুর গ্রামের আলমগীর হোসেন। গেল সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আলমগীর-লাবনী দম্পতির কোলজুড়ে আসে ফুটফুটে একটি মেয়ে। গ্রামপুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে ওই বাড়িতে অভিনন্দনপত্র নিয়ে হাজির হন রোহিতা ইউপি সচিব কৃষ্ণগোপাল মুখার্জি। সাথে একটি জন্মসনদের ফরম দিয়ে আসেন সচিব। বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) পরিষদে ফরম জমা দিয়ে মেয়ের জন্মসনদ পেয়েছেন আলমগীর।
গত ৩১ আগস্ট একই ইউনিয়নের সরসকাঠি গ্রামের পোশাকশ্রমিক আজহারুল-মিরা দম্পতির একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। খবর পেয়ে সেখানেও অভিনন্দনপত্র ও ফরম পাঠান সচিব। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আজহারুলের বাড়িতে পুরস্কারসহ জন্মসনদ পৌঁছে দেন সচিব।
শুধু আলমগীর বা আজহারুল নন, গ্রামপুলিশের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সন্তানের জন্মসনদ বিনামূল্যে পেয়েছেন রোহিতা ইউনিয়নের ইব্রাহিম হোসেন ও আরিফুল ইসলাম। বিনা হয়রানিতে সন্তানের জন্মসনদ করাতে পেরে খুশি তারা।
ইউপি সচিব কৃষ্ণগোপাল বলেন, ‘চলতি মাসের ১৫ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. হুসাইন শওকত জন্ম-মৃত্যুসনদ নিয়ে মণিরামপুর উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে মতবিনিময় সভা করেন। সেখানে জন্ম ও মৃত্যুসনদ প্রদানে আমাদের কিছু কৌশল শিখিয়ে দেন তিনি। কৌশলগুলো প্রয়োগ করে গ্রামপুলিশদের নিজ নিজ এলাকায় পাঠাই।’
সচিব বলেন, ‘সব গ্রামপুলিশের হাতে রেজিস্টার খাতা দিয়েছি। তারা ইউনিয়নে জন্ম নেওয়া এক বছরের কম বয়সী শিশুদের তালিকা নিয়ে আসেন। জন্মসনদের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে অভিভাবকদের উৎসাহিত করেন তারা। এখন সন্তানের জন্মসনদ গ্রহণে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকে।’
কৃষ্ণগোপাল আরও বলেন, ‘শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মসনদ গ্রহণে কোনো খরচ লাগে না। আমরা সদ্য জন্ম নেওয়া চার শিশুর পরিবারকে অভিনন্দনপত্র ও সাথে জন্মসনদের ফরম পাঠিয়েছি। ইতিমধ্যে তারা জন্মসনদ গ্রহণ করেছেন।’