সেনা কর্মকর্তা নিহতের ঘটনায় ২০ পুলিশ প্রত্যাহার

আপডেট: 09:59:57 02/08/2020



img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক : কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা নিহতের ঘটনায় বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জসহ ২০ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
জেলার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন রোববার এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ইতোমধ্যে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত আলিসহ ২০ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
প্রত্যাহার করা পুলিশ সদস্যদের ইতোমধ্যে কক্সবাজার পুলিশ লাইনসে নিয়ে আসা হয়েছে এবং নতুন ২০ পুলিশ সদস্যকে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সুপার জানিয়েছেন।
শুক্রবার রাত সাড়ে দশটার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকায় একটি চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। তিনি যশোর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বীর হেমায়েত সড়কের মৃত এরশাদ খানের ছেলে।
ঘটনার পর কক্সবাজারের পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাশেদ তার পরিচয় দিয়ে ‘তল্লাশিতে বাধা দেন’। পরে ‘পিস্তল বের করলে’ চেক পোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ তাকে গুলি করে।
ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি এ ঘটনায় আরো দুইজনকে গ্রেফতার করে দুটো মামলা দায়ের করার কথাও জানায় পুলিশ।
তবে ঘটনার যে বিবরণ পুলিশ দিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় শনিবার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাজাহান আলীকে আহ্বায়ক করে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
কক্সবাজার জেলার এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও কক্সবাজারের এরিয়া কমান্ডারের একজন প্রতিনিধি এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়, কমিটি ঘটনার বিষয়ে সরেজমিনে তদন্ত করে ঘটনার কারণ ও উৎস অনুসন্ধান করবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে মতামত দেবে।
সূত্র : বিডিনিউজ

আরও পড়ুন