সেই লিতুনজিরার পাশে বসুন্ধরা

আপডেট: 09:39:49 18/01/2020



img

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : মণিরামপুরে হাত-পা ছাড়াই জন্ম নেওয়া অদম্য সেই মেধাবী লিতুনজিরার পাশে দাঁড়িয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ।
শনিবার দুপুরে বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (হেড অব বাল্ক সেলস) রেদোয়ানুর রহমান পাঁচ লাখ টাকার চেকসহ বিভিন্ন উপহার সামগ্রী নিয়ে লিতুনজিরার শেখপাড়া খানপুরের বাড়িতে হাজির হন। পরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে লিতুনজিরার হাতে সেগুলো তুলে দেন।
বসুন্ধরা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও বসুন্ধরা মাল্টি ফুড প্রোডাক্ট লিমিটেডের উইং ম্যানেজার মাহবুবুর রহমান, বসুন্ধরা গ্রুপের বাল্ক সেলসের ডেপুটি ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম, ডিভিশনাল সেলস ইনচার্জ জিএম কামরুজ্জামান, এরিয়া সেলস ম্যানেজার জাহিদুল ইসলাম, টেরিটরি সেলস এক্সিকিউটিভ মো. রঞ্জু সরকার, গোপালপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রেজাউল করিম, খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাজেদা খাতুন এসময় উপস্থিত ছিলেন।
ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রেদোয়ানুর রহমান বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপ অসহায় প্রতিবন্ধীদের পাশে দাঁড়াতে পছন্দ করে। গণমাধ্যমে লিতুনজিরার খবর পড়ে আমরা তার বাড়িতে এসেছি। লিতুনজিরার পরিবার চাইলে বসুন্ধরা গ্রুপ সবসময় তার পাশে থাকবে।’
এদিকে, বসুন্ধরা গ্রুপকে পাশে পেয়ে মহাখুশি লিতুনজিরা ও তার পরিবার। পাশে দাঁড়ানোর জন্য তারা বসুন্ধরা গ্রুপকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
মণিরামপুরের শেখপাড়া খানপুর গ্রামের প্রভাষক হাবিবুর রহমান ও জাহানারা বেগমের একমাত্র মেয়ে লিতুনজিরা দুই হাত-পা ছাড়াই জন্ম নেয়। প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর মেধা দিয়ে পরিবারের দুঃখ-কষ্টকে জয় করেছে সেই মেয়েটি। মুখে ভর দিয়ে লিখেই এবার প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় জিপিএ ৫ অর্জন করেছে সে। এরপর ষষ্ঠ শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মণিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পায় লিতুন। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক হায়দার আলীর অসৌজন্যমূলক আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে ভর্তি হয়নি সে। পরে তাকে উপজেলার গোপালপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করান বাবা হাবিবুর রহমান। পরে সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক দুঃখ প্রকাশ করে লিতুনকে নিজ স্কুলে নিয়ে আসেন

আরও পড়ুন