শৈলকুপায় সংঘর্ষে আহত ১৫, ভাঙচুর লুটপাট

আপডেট: 07:25:46 19/10/2019



img

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ঝিনাইদহের শৈলকুপায় দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। এসময় ২৪টি বাড়ি-ঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করা হচ্ছে।
শৈলকুপার তেঘরিয়া গ্রামে আজ দুপুরে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ থেমে থেমে বিকেল পর্যন্ত চলে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সেখান থেকে চারজনকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পর থেকে সারুটিয়া ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রামে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়ে আসছে দলীয় প্রতিপক্ষ। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নায়েব আলী পরাজিত ও দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী জয়ী হওয়ার পর থেকে এ সংঘর্ষ চলছে।
শনিবার দুপুরে তেঘরিয়া গ্রামে নৌকা সমর্থক মিরাজকে তার দুই ভাই ফিরোজ ও হাফিজ সামাজিক দল পরিবর্তনের জন্য চাপ দেয়। এনিয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে গ্রামে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে রুমি খাতুন, আব্দুল হাকিম, রুবেল হোসেন, বকুল হোসেন, সোরাপ, ইউনুস, আজিম, আকুল, আজব, আকাম, তারেক, আব্দুর রশিদ, আব্বাস, পারুল খাতুন, সেলিনা খাতুন, কাজলীসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন। এসময় উভয় পক্ষের সমর্থকরা কমপক্ষে ২৪ বাড়ি-ঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মসলেম মণ্ডল দাবি করেন, সারুটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসানের ইন্ধনে বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীরা এইসব হামলা চালিয়ে আসছে। আজকের হামলায় ইউপি চেয়ারম্যান মামুন সরাসরি উপস্থিত ছিলেন।
অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মামুন।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রহমান জানিয়েছেন, দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আটক করা হয়েছে কয়েকজনকে। সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন