শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার যুক্তিতর্ক শুরু

আপডেট: 07:51:54 21/01/2021



img

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলায় যুক্তিতর্ক শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল সোয়া তিনটা পর্যন্ত আসামিপক্ষ সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম মো. হুমায়ুন  কবীরের আদালতে আংশিক যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। এরপর আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।  
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম মুনীর, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল শাহীন মৃধা, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ, সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট ওসমান গনি, অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট ফাহিমুল হক কিসলু, সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট তপনকুমার দাস, সাবেক অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট আজাহার হোসেন, অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম পিন্টু, ঢাকা জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট আব্দুল গফফার, অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট সৈয়দ জিয়াউর রহমান বাচ্চু, অ্যাডভোকেট ওকালত আলী, অ্যাডভোকেট নাজমুন্নাহার ঝুমুর, অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহমান জিয়া, অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান শাহনাজ প্রমুখ।
আসামিপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন হাইকোর্টের অ্যাডভোকেট শাহানারা আক্তার বকুল, অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ (২), অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান পিন্টু, অ্যাডভোকেট তোজাম্মেলল হোসেন তোজাম, অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান ভুট্টো প্রমুখ।
বেলা সোয়া ১১টায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ একজন সাক্ষীর জবানবন্দির সঙ্গে অপর সাক্ষীর জবানবন্দির গরমিল, রাস্তা আড় করে দেওয়া যাত্রীবাহী বাসে কখনো যাত্রী না থাকা আবার কখনো ৩৫ জন যাত্রী থাকা, কয়েকজন সাক্ষীর হামলার দশ মিনিট আগে কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসে অবস্থান করার কথা বললেও তারা শেখ হাসিনার গাড়িবহরে ছিলেন বলে একজন সাক্ষী জবানবন্দি দেওয়া, বাসটি সরসকাটি থেকে চান্দুড়িয়া রুটের বলা হলেও চালক নজিবুল্লাহর সাক্ষীতে যাত্রীসহ বাসটি নিয়ে তিনি ওই দিন বেলা ১১টার দিকে সাতক্ষীরা থেকে যশোরে যাচ্ছিলেন বলে উল্লেখ করাসহ বিভিন্ন গরমিল তুলে ধরেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সম্পূরক অভিযোগপত্রে ঘটনাস্থলের আশপাশে কমপক্ষে ১৪টি দোকান থাকলেও তাদের কাউকে সাক্ষী করেননি বলে আদালতকে অবহিত করেন। সর্বোপরি তিনি এ মামলাকে একটি রাজনৈতিক মামলা হিসেবে দাবি করেন।
২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল থেকে ধর্ষিতা এক নারীকে দেখে যশোরে ফেরার পথে হামলার শিকার হন। অভিযোগ করা হয়েছে, জেলা বিএনপির সভাপতি ও তৎকালীন সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের নির্দেশে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা গাড়িবহরে হামলা চালায়। হামলায় তৎকালীন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রকৌশলী শেখ মুজিবুর রহমান ও সাংবাদিকসহ কমপক্ষে এক ডজন নেতাকর্মী আহত হন।

আরও পড়ুন