শুক্রবার যশোরে যারা করোনা আক্রান্ত হলেন

আপডেট: 09:23:24 07/08/2020



img

স্টাফ রিপোর্টার : শুক্রবার যশোরে যে ৭৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে তাদের মধ্যে যশোর শহরসহ সদর উপজেলায় আছেন ৪৮ জন। বাদবাকিদের মধ্যে শার্শা উপজেলার চারজন, ঝিকরগাছার ছয়, অভয়নগরের এক, কেশবপুরের নয়, চৌগাছার দুই এবং মণিরামপুরের সাতজন রয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, যশোর শহর ও সদর উপজেলায় আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন, ব্যাংকার, সেবিকা, ইউপি মেম্বারসহ বিভিন্ন পেশা ও বয়সের মানুষ।
যশোর শহরসহ সদর উপজেলায় আক্রান্তরা হলেন, খালধার রোডের আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৩), জেনারেল হাসপাতালের কর্মচারী রানা (২৬), আয়া হেলেনা আক্তার (৪৫), সিনিয়র স্টাফ নার্স কল্পনারানি (৪৭), সেবক ইমাদ উদ্দিন (২১) ও সিনিয়র স্টাফ নার্স তাহমিনা পারভীন (৫০), নূতন উপশহর বি ব্লকের বাসিন্দা ও দুই নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার রেজাউল ইসলাম (৫৩), লালদিঘীর পাড়ের রাবেয়া বেগম (৬৫), কদমতলার সুচিত্রা সাহা (৫০), ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের ওয়াহিদুর রহমান (৬২), ঘোপের আব্দুল করিম (৩৮), কারবালার ওয়াহিদা ইয়াসমিন (৫০), কোতয়ালী থানার পুলিশ সদস্য আবুল হাসান (৩৩), বারান্দিপাড়ার আফসার আলী (৯২), নওদাগ্রামের রাকিব হোসেন (১৮) ও লাল্টু বিশ্বাস (৫০), মুজিব সড়কের আশুরা খাতুন (৪০), সোনালী ব্যাংকের মহিদুল ইসলাম (৫৮), সুজলপুরের আহাদুল (৫০), রূপদিয়ার নজির হোসেন (৫৬), কেন্দ্রীয় কারাগারের রক্ষী রিয়াজুল ইসলাম (৩৫), বাহাদুরপুরের আমীর হোসেন (৪০), পুলিশ লাইনের বুলবুল আহমেদ (৪০), আতিয়ার রহমান (৩৩), রাজিব হোসেন (২৫) ও রাশেদুল কবির (২৭), চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের জোসনা পারভীন (৪৫), মোমেনা বেগম ও আনোয়ারা বেগম (৭০), নাজির শংকরপুরের মাহফুজুল আলম (৩৫), ইছাপুরের ফারুক হোসেন (৬০), যাদবপুরের তরিকুল ইসলাম (৫০), চুড়ামনকাটির বাবুল হোসেন (৬২), উলাশীর মোশাররফ হোসেন (২৬), কায়েমকোলার নমিতা কুণ্ডু (৬০), ঘোষপাড়ার মেহেদী হাসান (২৯), কাজীপাড়ার জিয়াউল হক (৪০), শেখহাটির আলমগীর কবির (৫৫), চাঁচড়ার ওমর আলী (৭০) এবং পল্লী বিদ্যুতের আবু হাসান (৫৬)।
অন্য উপজেলার বাসিন্দা কিন্তু সদরে নমুনা দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পজেটিভ শনাক্ত হয়েছেন বালিয়াডাঙ্গার সোলেমান বিশ্বাস (৬২), কোমরপোলের আলমগীর হোসেন (৩৫), মজিদপুরের ইসমাইল মোড়ল (৬০), মণিরামপুরের মিঠু (৩২), মির্জাপুরের কামরুজ্জামান (৩৬), কেশবপুর উপজেলার হজরত আলী (৩৫) এবং অনিলকুমার মোদক (৭৯)।
মণিরামপুর উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন জালালপুরের মুরশিদ আলম (২৯), গলদার আব্দুল ওহাব (৬২), চালুয়াহাটির রোজিনা খাতুন (৪০), জালঝাড়ার গোলাম আযম (৬৫), শিমুলিয়া আফজাল হোসেন (৬০), আলতাপোলের ইভারানি পাল (৫৫) এবং সাধনকুমার পাল (৬৫)।
চৌগাছা উপজেলায় আছেন উত্তর কয়ারপাড়ার আবুল বিশ্বাস (৬৫) ও আড়কান্দির গোবিন্দ সরকার (৫৫)।
কেশবপুর উপজেলায় শনাক্ত হয়েছেন আব্দুল গনি (৫৫), নারগিস নাহার (৪৮), সারুইয়ার বিধান দাস (৩১), সোনালী ব্যাংকের উৎপলকুমার দাস (৩১) ও সাকিবুর রহমান (২৮), আলতাপোলের চিত্তরঞ্জন দাস (৬৭), ত্রিমোহিনীর আব্দুর রহিম (২৭), রূপসা তিলকের ফজলে রাব্বি (৩৮) এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবিকা মদিনা খাতুন (৪৮)।
ঝিকরগাছা উপজেলায় আছেন জাফরনগরের মোমেনা বেগম (৪৮), শহরের ফেরদাউস জামান (৪৫) ও আল ইমরান সুমন (৩৪), কৃষ্ণনগরের লিপিরানি কীর্তনিয়া (৫৪), হরিয়াদেয়াড়ার নুরজাহান বেগম (৪৮) এবং কলেজপাড়ার এস কে আশরাফুল আলম (৫৬)।
শার্শা উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন সদর বাড়িপোতার ইসমত আরা (২৬) ও আল সাবের (২৭), উপজেলা পরিষদের ফারহানা আফরোজ (৩৩) এবং গোননগরের আব্দুস সালাম (৫৫)।
অভয়নগর উপজেলায় আছেন বুইকারার আবুল কালাম আজাদ (২৭)।
আক্রান্তদের তালিকা স্থানীয় প্রশাসনকে দেওয়া হয়েছে। তাদের বাড়ি লকডাউনসহ অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন বলেন, জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী বাড়ার একটি কারণ সচেতনতার অভাব। অধিকাংশ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি তেমন একটা পালন করছেন না। ফলে স্বাস্থ্য ও প্রশাসনের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ কাজে আসছে না।

আরও পড়ুন