যবিপ্রবিতে ২৭ বা ২৮ মে থেকে ফের নমুনা পরীক্ষা

আপডেট: 05:17:56 25/05/2020



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোর বিজ্ঞান ও প্রযু্ক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারে সন্দেহভাজন করোনা রোগীদের নমুনা পরীক্ষার কাজ আগামী ২৭ বা ২৮ মে শুরু হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সেলিনা আক্তার এই তথ্য দিয়ে জানিয়েছেন, এখন ল্যাব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন তথা কনটামিনেশনের (দূষণমুক্ত করার) কাজ চলছে।
গেল বুধবার বিকেলে সাইক্লোন আম্পান আঘাত করার সময় যবিপ্রবি জেনোম সেন্টারে নমুনা পরীক্ষার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। টানা ৭২ ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন ছিল বিশ্ববিদ্যালয়। ফলে ওই সময়কালে কোনো নমুনা পরীক্ষা করা যায়নি। তাছাড়া করিডোর দিয়ে ল্যাবের মধ্যে পানি ঢুকে পড়ে; যা ভাইরাস পরীক্ষাগারের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় নমুনা পরীক্ষা করা যায়নি ঠিকই কিন্তু উপাচার্যের পরামর্শে এই সময়কালে ল্যাব পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজে হাত দেওয়া হয়। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এই কাজ চলেছে। এরপর ঈদের ছুটি।
বিশ্ববিদ্যালয় জেনোম সেন্টারে নমুনা পরীক্ষা কার্যক্রমের বর্তমান টিম লিডার ড. সেলিনা আক্তার সুবর্ণভূমিকে জানান, আগামী ২৬ মে আরেকবার ল্যাব ক্লিন করা হবে। এরপর সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২৭ বা ২৮ মে নমুনা পরীক্ষার কাজ শুরু করা হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে ড. সেলিনা জানান, যেদিন সাইক্লোনের আঘাতে পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়, সেদিন তাদের হাতে যশেরের ১৩-১৪টি স্যাম্পল ছিল। ওই স্যাম্পলগুলো আরএনএ করে রাখতে পারলে পরীক্ষা সম্পন্ন করা যেত। কিন্তু সময়ের অভাবে তা হয়নি। ফলে স্যাম্পলগুলো বাতিল করা হয়েছে। এবং তা সিভিল সার্জনকে জানিয়েও দেওয়া হয়েছে।
সাইক্লোনের পূর্বাভাস সম্বন্ধে জানা ছিল কি না জানতে চাইলে ড. সেলিনা বলেন, 'ওই দিন সকাল সকাল স্যাম্পলগুলো পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছিল সিভিল সার্জনকে। কিন্তু স্যাম্পল আসতে আসতে দুপুর হয়ে যায়। ফলে নমুনাগুলো পরীক্ষার কাজ শেষ করা যায়নি।'
এর আগে একদফা যবিপ্রবি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার কাজে বিরতি নেওয়া হয়েছিল। তখন চারদিন ধরে ল্যাব পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি জীবাণুমুক্ত করা হয়।
যবিপ্রবি ল্যাব বন্ধ থাকলে এই অঞ্চল থেকে মূলত খুলনা মেডিকেল কলেজ ল্যাবে নমুনা পাঠানো হয়। যবিপ্রবি ল্যাব সচল থাকলেও স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ নমুনার বড় অংশ খুলনা পাঠিয়ে দেয়। কারণ খুলনা ল্যাবের তুলনায় যশোর ল্যাবে পজেটিভ শনাক্তের হার অনেক বেশি। তবে সম্প্রতি খুলনা ল্যাবেও পজেটিভ শনাক্তের হার বেড়েছে।

আরও পড়ুন