মৌসুম বদলজনিত রোগে হাসপাতালে রোগীর ভিড়

আপডেট: 07:42:09 22/02/2020



img

শহিদুল ইসলাম দইচ : ডায়রিয়া ও শিশুদের নানা রোগের কারণে গত এক সপ্তাহে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৬৬ জন। শনিবার হাসপাতালে ভর্তি ছিল ৭০ জন। মৌসুম পরিবর্তনের এই সময়ে এমন প্রবণতা স্বাভাবিক বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।
হালকা শীত ও গরম, বৃষ্টি না হওয়া, বাতাসে আমের মুকুল ও ভাইরাসের কারণে এ সময়ে মানুষ নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে বলে ডাক্তাররা বলছেন।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, গত সাতদিনে (১৪ ফেব্রুয়ারি-২২ ফেব্রুয়ারি) এই হাসপাতালে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে ১২৩ জন নারী, পুরুষ ও শিশু। আর শিশুদের নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে ৩৩ জন।
ডায়রিয়া ও শিশুরোগের উপসর্গ বর্ণনা করতে গিয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার মো. এনাম উদ্দিন সুবর্ণভূমিকে বলেন, শরীরের মধ্যে অস্বস্তি, মাথা ও কপাল ঘামা, বমি বমি ভাব ও বমি হওয়া, বারে বারে পায়খানা হওয়া, পাতলা পায়খানা হওয়া, শরীরে জ্বালাপোড়া, মাথা ঘোরা ইত্যাদি।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাক্তার আরিফ আহম্মেদ সুবর্ণভূমিকে বলেন, এ সময়ের আবহাওয়া বৈরী। এখন হালকা শীত ও হালকা গরম। বৃষ্টি নেই। আমের মুকুল আসছে, ঝরছে। সেকারণে বাতাসে জীবাণু ছড়াচ্ছে। এইসব থেকে রক্ষা পেতে ওয়াশরুম থেকে বেরুনোর পর হাত-মুখ ভালো করে সাবান দিয়ে ধুতে হবে। পচা-বাসি খাবার মোটেও খাওয়া যাবে না। খাবার ঢেকে রাখতে হবে। মূল কথা হলো, অসচেতনতার কারণে এসব রোগ হয়ে থাকে। মানুষ সচেতন হলে এসব রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
তিনি বলেন, অনেক রোগী আসছে হাসপাতালে, তবে সেবার মান ভালো থাকায় সুস্থ হয়ে তারা বাড়িও ফিরে যাচ্ছে।
জানতে চাইলে যশোর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডাক্তার হারুনর রশিদ বলেন, ডায়রিয়া ও শিশুদের নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে যে খুব বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, তা বলা যাবে না। এ সময় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সাধারণত এমন সংখ্যক রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসে।

আরও পড়ুন