মেয়েকে বাঁচানোর আকুতি গরিব বাবা শহিদুলের

আপডেট: 03:29:42 19/07/2020



img

সংবাদদাতা, শার্শা (যশোর) : কতই বা বয়স! ১৩ বা ১৪। ছোট্ট একটা দুর্ঘটনা এই বাচ্চা মেয়েটিকে দাঁড় করিয়েছে মৃত্যুর মুখোমুখি।
শরীরে ক্যানসার নিয়ে এখন সে হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছে। রাজধানীর ক্যানসার হাসপাতালের চিকিৎসকরা বলছেন, সুস্থ করে তুলতে যে চিকিৎসা দিতে হবে, তা ব্যয়বহুল। কিন্তু এতো টাকা পাবে কোথায় মেয়েটির পরিবার?
তন্বি খাতুন। বাগআঁচড়া ঘোষপাড়ার রাজমিস্ত্রি শহিদুলের মেয়ে ও বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।
পারিবারিক সূত্র জানায়, হঠাৎ একদিন স্কুলের বেঞ্চে তার পায়ে আঘাত লাগে । সেই আঘাত যে তার জীবন বিপন্ন করে তুলতে পারে, তা কেউ স্বপ্নেও ভাবেননি।
আঘাতের কারণে রক্ত জমাট বেঁধে পায়ের ওই স্থানে বাসা বেঁধেছে ক্যানসার। এই মারণব্যাধির চিকিৎসা করা গরিব বাবা শহিদুলের পক্ষে একেবারেই অসম্ভব। তন্বির বাবা শহিদুল সাধ্যানুযায়ী চেষ্টা করে মেয়েকে ভর্তি করিয়েছেন বাংলাদেশ ক্যানসার হসপিটালে। সেখানে সে এখন ডা. সুজন হোসেনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছে।
চিকিৎসক সুজন হোসেন জানান, আটটি কেমোর পাশাপাশি মেয়েটির আঘাতপ্রাপ্ত পায়ের হাড় কেটে নতুন হাড় লাগাতে হবে। এই চিকিৎসায় আনুমানিক খরচ হবে আট লাখ টাকা। দ্রুত অস্ত্রোপচার না করাতে পারলে তন্বির জীবন সংশয়ে পড়বে। কিন্তু বাবা শহিদুল রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালাবেন, না মেয়েকে চিকিৎসা করাবেন? বিপুল এই টাকা জোগাড় করা তার পক্ষে কোনোমতেই সম্ভব না। তাই মেয়েকে বাঁচাতে সমাজের দানশীল বিত্তবান মানুষের কাছে সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়েছেন অসহায় এই বাবা।
আগ্রহীরা বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে সহযোগিতা করতে পারেন শহিদুল তথা তার মেয়ে তন্বিকে। বিকাশ নম্বর ০১৭৩৫০২০৮১৯।