মাথা কেটে নেওয়ার দায়ে মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট: 02:51:40 24/02/2020



img

শ্যামলী খন্দকার, কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ার ইবি থানার বহুল আলোচিত সন্ত্রাসী ফরিদুল ইসলাম হত্যা মামলার অভিযুক্ত এক আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং আরো ১১ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরুপকুমার গোস্বামী এই রায় ঘোষণা করেন। এসময় মামলার ১২ আসামির মধ্যে সাতজন উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা পলাতক রয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন, ইবি থানার বানিয়াপাড়া গ্রামের নফছের আলীর ছেলে জগো আলী (পলাতক)। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, একই থানার সোনাইডাঙ্গা গ্রামের বদর উদ্দিনের ছেলে ইলাম মণ্ডল ওরফে কালু (পলাতক), বৃত্তিপাড়া গ্রামের মনোয়ার মণ্ডলের ছেলে শহিদুল, গজনবীপুরের ফকির মণ্ডলের ছেলে বাদশা মণ্ডল (পলাতক), দেড়িপাড়া গ্রামেল তয়াক্কেল জোয়ার্দারের ছেলে আলিম জোয়ার্দার, বারুইপাড়া গ্রামের আফাজ সরদারের ছেলে আমিরুল ইসলাম, উজানগ্রামের মোনাউল্লার ছেলে বাবলু (পলাতক), তাইজাল আলীর ছেলে সাইদুল, ইজ্জত আলীর ছেলে মিজানুর রহমান, ইয়ার আলীর ছেলে আলী হোসেন, মজিদ মণ্ডলের ছেলে আসাদুল এবং সামসুল আলীর ছেলে ইউনুছ আলী।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ২৩ ডিসেম্বর চরমপন্থী ফরিদুল ইসলামের নেতৃত্বে আরো কয়েকজন সন্ত্রাসী মিলে মানিক মণ্ডল নামে এক ব্যবসায়ীকে মুক্তিপণের জন্য অপহরণ করেন। পরে মুক্তিপণের টাকা নিয়ে ফরিদুলের সহযোগী জগোসহ অন্য সন্ত্রাসীদের সঙ্গে ফরিদুলের বিরোধ বাধে। একপর্যায়ে নিজের সহযোগীরারাই ফরিদুলের মাথা কেটে বারুইপাড়া গ্রামের একটি ব্রিজের ওপর রেখে দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে কাটা কাটা মাথা উদ্ধার করে।
পরের দিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার এস আই নুরুজ্জামান বাদী হয়ে ওই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি দীর্ঘ তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মনিরুল ইসলাম ১২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক চাঞ্চল্যকর মামলাটির রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন