মহেশপুর সীমান্তে অবৈধ যাতায়াত ফের বেড়েছে

আপডেট: 04:31:20 11/07/2020



img

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : করোনা মহামারীর মধ্যে ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে আবারো ভারত-বাংলাদেশে অবৈধ যাতায়াত বেড়েছে।
গেল এক সপ্তাহে জেলার মহেশপুর সীমান্ত থেকে ৩৬ নারী-পুরুষ ও শিশুকে আটক করে বিজিবি। এরমধ্যে বাঘাডাঙ্গা এবং শ্যামকুড় সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশের সময় নারী-পুরুষসহ নয়জন এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতে গমনকালে ২৭ জনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট অধ্যাদেশ আইনে মামলা করে মহেশপুর থানায় সোপর্দ করেছে।
এর আগে গেল বছরের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ৩৬৩ জনকে ভারত থেকে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক করেছিল বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সে সময় মোদি সরকারের নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) আতঙ্কে অবৈধ অনুপ্রবেশ বেড়ে গিয়েছিল।
এক সপ্তাহে আটকদের মধ্যে ১০ জুলাই রাতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে গমনকালে দশজনকে, ৯ জুলাই ভারত থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় নয়জনকে, ৭ জুলাই বাংলাদেশ থেকে ভারতে গমনকালে ১৪ জনকে এবং ৪ জুলাই তিনজনকে আটক করে বিজিবি। আটককৃতদের অধিকাংশের বাড়ি ফরিদপুর, মাগুরা ও আশপাশের জেলায়।
খালিশপুর বিজিবি ৫৮ ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল কামরুল আহসান জানান, ভারত থেকে যারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে হয়তো তারা করোনার কারণে দীর্ঘদিন আটকা থেকে এখন অবৈধ পথে আসার চেষ্টা করছে।
আবার বেশ কয়েকমাস আগে ভারত সরকারের এনআরসি আতঙ্কে যারা বাংলাদেশে এসেছিলেন তারা আবারো নিজেদের ফেলে আসা সম্পত্তির টানে সেদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। ভারতে গমনকালে আটক ব্যক্তিদের কারও কারও ভাষ্য, এখন ভারত-চীন সীমান্তে দ্বন্দ্বের কারণে এনআরসির প্রভাব নেই। তাই তারা ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। যদি পরিবেশ আবার খারাপ হয়, তাহলে ফিরে আসবেন।
তবে এসব বিষয়ে আমরা এখনো স্পষ্ট না, বলেন বিজিবি সিও কামরুল।
ভারতে করোনা পরিস্থিতি নাজুক। ফলে সেদেশ থেকে যারা আসছেন, তাদের মাধ্যমেও বাংলাদেশের মানুষের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সীমান্ত এলাকার লোকজন।

আরও পড়ুন