মহেশপুরে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্প শেষের পথে

আপডেট: 03:09:05 26/09/2020



img
img

তারেক মাহমুদ, কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) : ঝিনাইদহের মহেশপুরে চার কোটি টাকা ব্যয়ে আর্সেনিক ও আয়রন রিমোভাল পানির প্লান্ট স্থাপনের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ঘণ্টায় এক লাখ ৮০ হাজার লিটার পানি সরবরাহের ক্ষমতাসম্পন্ন এ প্লান্ট মহেশপুর শহরবাসীর প্রয়োজনীয় বিশুদ্ধ পানির চাহিদা মেটাতে কাজ করবে।
জেলার প্রথম বৃহৎ এ বিশুদ্ধ পানির প্লান্টটি তৈরির কাজ করছে জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। সরকারের ৪৫ পৌরসভা প্রকল্পের আওতায় এ প্লান্ট স্থাপনের কাজ চলছে।
মহেশপুর উপজেলা শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কপোতাক্ষ নদের জলিলপুর অংশে এ প্লান্টটি স্থাপনের কাজ চলছে। কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। তাড়াতাড়ি উদ্বোধন করা হবে। পৌর এলাকার ছয়টি সাব মর্সেবল পাম্পের সাহায্যে ভূগর্ভ থেকে পানি উত্তোলন করার পর প্লান্টের হাউজে রাখা হবে। এরপর কোনো রকমের কেমিকেল দ্রব্য ছাড়াই প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে পানি শোধন করার পর তা তিন হাজার পরিবারের জন্য সরবরাহ করা হবে।
মহেশপুর পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা গণমাধ্যমকর্মী নাসির উদ্দীন জানান, এখানকার ভূগর্ভস্থ পানিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে। যে কারণে পানি বিশুদ্ধকরণ প্লান্টটি চালু হলে এলাকার মানুষ সুফল পাবে।
মহেশপুর পৌরসভার মেয়র আব্দুর রশিদ খাঁন জানান, পানি বিশুদ্ধকরণ প্লান্টের কাজ শেষ পর্যায়ে। এখান থেকে পৌর এলাকার তিন হাজার পরিবারকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করা হবে।
তিনি আরো জানান, মহেশপুর পৌর এলাকার পানিতে মাত্রাতিরিক্ত আয়রন ও আর্সেনিক রয়েছে। এখন প্লান্টটি চালু হলে একদিকে পৌরবাসীর বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে পানিবাহিত নানা রোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে।
ঝিনাইদহ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম জানান, নাগরিকদের বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত করাই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। সরকারের ৪৫ পৌরসভা প্রকল্পের আওতায় এ বিশুদ্ধকরণ প্লান্টটির কাজ করা হচ্ছে। প্লান্টটি চালু হলে মহেশপুর পৌরসভায় বসবাসকারী নাগরিকদের বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত হবে।

আরও পড়ুন