মণিরামপুর থানায় সেবার সঙ্গে মিলছে চকলেট

আপডেট: 03:26:32 19/02/2020



img
img

আনোয়ার হোসেন, মণিরামপুর (যশোর) : মণিরামপুর থানায় পুলিশি সেবায় ভিন্নমাত্রা যোগ হয়েছে। মাত্র কয়েকমাস আগেও এই থানায় সেবাপ্রাপ্তি নিয়ে আগতদের মধ্যে নানা অভিযোগ থাকলেও সেটা কমেছে।
এখন থানায় সেবা নিতে আসা লোকজনকে সেবা প্রদানের পাশাপাশি আপ্যায়ন শুভেচ্ছার নির্দশনস্বরূপ একটি করে চকলেট দিচ্ছেন দায়িত্বরত ডিউটি অফিসার। থানায় মামলা, অভিযোগ বা সাধারণ ডায়েরি করতে আসা লোকেরা পাচ্ছেন এই চকলেট। এছাড়া থানায় জিডি করতে আসা ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনো টাকাও নেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেছে পুলিশ। পুলিশ সুপার হিসেবে যশোরে মুহাম্মদ আশরাফ হোসেনের যোগদানের পর থেকে থানায় এই সেবা চালু হয়েছে।
এছাড়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলামের নাম ও মোবাইল নম্বরসম্বলিত একটি সাইনবোর্ডও রয়েছে থানা চত্বরে। থানায় আসা কেউ পুলিশের আচরণে ক্ষুব্ধ হলে সরাসরি সেই নম্বরে কল করার জন্য আহ্বান করা হয়েছে।
বুধবার সকালে থানায় তথ্য আনতে গেলে ডিউটি অফিসারের টেবিলে একটি চকলেটের কৌটা দেখা যায়। ঠিক তখনই সেই কক্ষে অভিযোগের কপি জমা দিতে আসেন স্বরুপদহ গ্রামের শফিকুজ্জামান। তখন কৌটা খুলে তার হাতে একটি চকলেট দিতে দেখা গেছে ডিউটি অফিসার রাজু আহম্মেদকে। কৌতূহলবশত জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নতুন এসপি স্যার যোগ দেওয়ার পর নির্দেশনা এসেছে, থানায় সেবা নিতে আগতদের একটি করে চকলেট দিয়ে আপ্যায়ন করতে হবে। এখন জিডি করতে আসা লোকেদের কাছ থেকে একটি টাকাও নেওয়া হয় না।’
সেবাগ্রহীতা শফিকুজ্জামান বলেন, ‘অভিযোগ করতে থানায় এসেছি। ডিউটি অফিসার একটি চকলেট দিলেন। ভালোই লাগল।’
জানতে চাইলে মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জিডি বা মামলা- কোনো ক্ষেত্রে টাকা-পয়সা নেওয়া হয় না। মণিরামপুরের মানুষকে সেবা দেওয়ার মানসিকতায় আছি। জনগণকে থানামুখি করতে এসপি স্যারের নির্দেশনায় আগতদের চকলেট দিয়ে আপ্যায়ন করা হচ্ছে।’