বেনাপোল-পেট্রাপোলে আমদানি-রফতানি বন্ধ

আপডেট: 12:02:48 26/01/2021



img

স্টাফ রিপোর্টার, বেনাপোল (যশোর) : ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। তবে এ পথে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে করোনা প্রতিরোধ শর্ত মেনে পাসপোর্ট যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক আছে।
মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে দিনভর আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন বেনাপোল বন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আব্দুল জলিল।
ভারতের পেট্রাপোল সিএন্ডএফ স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চক্রবর্তী জানান, মঙ্গলবার ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে সরকারি ছুটি থাকায় এ পথে কোনো আমদানি-রফতানি হবে না। বুধবার সকাল থেকে পুনরায় আমদানি-রফতানি কার্যক্রম চলবে।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে সকাল থেকে বন্দরের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকার বিষয়টি ভারতীয় বাণিজ্যিক সংগঠনগুলো জানিয়েছেন। তবে বেনাপোল বন্দরের ভেতর পণ্য খালাস কার্যক্রম সচল রয়েছে। আগামীকাল বুধবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে পুনরায় এ পথে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম স্বাভাবিক ভাবে চলবে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব জানান, বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে করোনা প্রতিরোধ শর্ত মেনে পাসপোর্টধারী যাত্রীরা যাতায়াত করছেন।
এদিকে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকায় দুই পার বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় সহস্রাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটক পড়েছে। এসব আমদানি পণ্যের মধ্যে শিল্প কারখানার কাঁচামাল, তৈরি পোশাক, কেমিক্যাল ও বিভিন্ন ধরনের খাদ্য রয়েছে। রফতানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে পাট ও পাটজাত দ্রব্য এবং মাছ।
যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থল পথে যে পরিমাণ পণ্য আমদানি, রফতানি হয় তার ৭০ শতাংশ হয়ে থাকে শুধু বেনাপোল বন্দর দিয়ে। প্রতিবছর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার আমদানি ও আট হাজার কোটি টাকার রফতানি বাণিজ্য হয়ে থাকে। আমদানি পণ্য থেকে সরকারের বছরে রাজস্ব আসে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা।

আরও পড়ুন