বাবরি মসজিদ ভাঙার মামলায় সবাই খালাস

আপডেট: 02:55:50 30/09/2020



img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক : ২৮ বছর আগে ভারতের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলার ঘটনায় বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি, মুরলী মনোহর জোশী, উমা ভারতীসহ মোট ৩২ অভিযুক্তকে আজ আদালত অব্যাহতি দিয়েছে।
বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক এদিন বেলা সোয়া ১২টা নাগাদ তার রায় পড়ার শুরুতেই জানিয়ে দেন, মসজিদ ভেঙে ফেলার এই ঘটনা "পূর্ব পরিকল্পিত ছিল না।"
১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলার দিন বিজেপি নেতারা উন্মত্ত জনতাকে ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলেন বলেও আদালত মন্তব্য করেছেন। কিন্তু করসেবকদের ভিড় তাদের নিষেধ শুনতে রাজি হয়নি।
৯২ বছর বয়সী লালকৃষ্ণ আদভানি ও ৮৬ বছরের মুরলী মনোহর জোশী কেউই অবশ্য বয়সজনিত অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আদালতে এদিন হাজির ছিলেন না। ছিলেন না কোভিড-আক্রান্ত উমা ভারতীও।
বাবরি মসজিদ ভাঙার পর ১৯৯৩-র অক্টোবরে বিজেপি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বজরং দল প্রভৃতি সংগঠনের ৪০ জন শীর্ষ নেতাকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেছিল ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।
গত নভেম্বরে বিতর্কিত ধর্মীয় স্থানটিতে একটি হিন্দু মন্দির বানানোর পক্ষে রায় দেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
ষোড়শ শতকে মোঘল সম্রাট বাবরের সময় তৈরি করা বাবরি মসজিদ ১৯৯২-এর ৬ ডিসেম্বরে হিন্দুত্ববাদী ভিএইচপি, বিজেপি এবং শিবসেনা পার্টির সদস্যরা ধ্বংস করে।
কিছু হিন্দুদের মতে, মসজিদের ওই জায়গাটি ছিল হিন্দুধর্মের অন্যতম আরাধ্য দেবতা রামের জন্মস্থান এবং সেখানে মসজিদ হওয়ার আগে একটি মন্দির ছিল।
১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ভাঙার পর হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে হওয়া দাঙ্গায় ভারতে দুই হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়।
এরপরেও অযোধ্যা ইস্যু নিয়ে ভারতে একাধিকবার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় প্রাণহানি হয়েছে বহু মানুষের।
সূত্র : বিবিসি

আরও পড়ুন