বাঘারপাড়া যুবলীগে পাল্টাপাল্টি

আপডেট: 06:30:14 05/12/2019



img

বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি : বৃহস্পতিবার যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা যুবলীগের একাংশের নেতা সংগঠনটির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক জুলফিকার আলী জুলাইয়ের নেতৃত্বে কর্মিসভা হয়েছে। এই সভা ঘিরে দিনব্যাপি দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছিল। তবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে, অনুষ্ঠিত কর্মিসভাকে ‘অগঠনতান্ত্রিক ও উদ্দেশ্যমূলক’ দাবি করেছেন সংঠনটির আহ্বায়ক রাজিব রায়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ ডিসেম্বর বিভিন্ন ইউনিট কমিটি গঠনের লক্ষ্যে উপজেলা যুবলীগের ব্যানারে বিশেষ বর্ধিত সভা হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভাটি আহ্বান করেন উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও এমপি রণজিৎ রায়ের ছেলে রাজিব রায়। ওই সভায় ডাকা হয়নি সংগঠনটির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক জুলফিকার আলী জুলাইকে। বৃহস্পতিবার জুলাইয়ের পক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পাল্টা সভা ডাকা হয়। বিষয়টি পুলিশ জানতে পেরে জুলাই অনুসারীদের পার্টি অফিসে ‘পাল্টা সভা’ না ডাকার অনুরোধ করে। পরে ‘গোলযোগ না করার শর্তে’ দলীয় কার্যালয়ের সামনে সভা করার অনুমতি পায় তারা। বিকেল চারটায় শুরু হয়ে এই সভা চলে সাড়ে চারটা পর্যন্ত।
জুলফিকার আলী জুলাইয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মিসভায় আরো বক্তব্য রাখেন কামাল হোসেন, বাচ্চু আহমেদ, দীপংকর বিশ্বাস, কামাল মেম্বর, খায়রুল হাসান হীরা, আরিফুজ্জামান, মনির সরদার, রবিউল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম প্রমুখ।
জুলফিকার আলী জুলাই স্থানীয় আওয়ামী রাজনীতিতে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম কাজলপন্থী হিসেবে পরিচিত।
এ ব্যাপারে জুলফিকার আলী জুলাই বলেন, ‘আমি উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক। আমাকে বাদ রেখেই যুবলীগের সভা আহ্বান করা হয়; যা কাম্য নয়।’
এদিকে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রাজিব রায় বলেন, ‘সম্পূর্ণ অগঠনতান্ত্রিকভাবে জুলফিকার আলী জুলাই কর্মিসভা আহ্বান করে। ওই সভায় যুবলীগের আর কোনো নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন না। গুটি কয়েক আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী ছিলেন বলে জানতে পেরেছি।’
যুবলীগের ব্যানারে পাল্টা সভা ডাকাকে ‘উদ্দেশ্যমূলক’ দাবি করেন রাজিব রায়। বলেন, ‘যুবলীগের সব নেতা-কর্মী আমার সাথেই আছে।’
এ ব্যাপারে বাঘারপাড়া থানার এসআই আজিজুর রহমান বলেন, ‘ধাওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে ‘পাল্টা’ সভা না ডাকার আহ্বান জানানো হয়। পরে শর্তসাপেক্ষে তারা কার্যালয়ের সামনে সভা করেছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দুই পক্ষই সরকারি দলের হওয়ায় আমাদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে।’