বাঘারপাড়ায় নির্বাচিত হলেন যারা

আপডেট: 10:07:40 14/02/2021



img

বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি : বাঘারপাড়া পৌরসভা নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী কামরুজ্জামান বাচ্চু। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন চার হাজার ২৫৫ ভোট।
তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের সিদ্দিকী জগ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন এক হাজার ১০৮ ভোট। এছাড়া ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল হাই মনা পেয়েছেন ২৭৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইনামুল হক হাতপাখা প্রতীকে ২৫২ ভোট এবং লাঙল প্রতীকের মহম্মদ আলী পেয়েছেন ২৮ ভোট।
এর আগে দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বাঘারপাড়া পৌরসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। এদিন সকাল আটটা থেকে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত। সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটার উপস্থিতির সংখ্যাও বাড়তে থাকে। ভোট গণনা শেষে রাত নয়টার দিকে উপজেলা রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আফরোজ বেসরকারি ফলাফলের তথ্য দেন।
নির্বাচনে এক নম্বর ওয়ার্ডে টেবিল্যাম্প প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন ফয়সাল আহমেদ। তিনি পেয়েছেন ৪০৬ ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী রবিউল ইসলাম উটপাখি প্রতীক নিয়ে ১১০ ভোট পেয়েছেন।
দুই নম্বর ওয়ার্ডে শাহীন আলম টেবিল ল্যাম্প প্রতীকে ৫৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাবিবুর রহমান উটপাখি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১১ ভোট।
তিন নম্বর ওয়ার্ডে উটপাখি প্রতীক নিয়ে খবিউর রহমান ৩৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইয়ারুল ইসলাম পানির বোতল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪৭ ভোট।
চার নম্বর ওয়ার্ডে ডালিম প্রতীক নিয়ে ১৯৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন শরিফুল ইসলাম শরিফ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিজানুর রহমান টেবিল ল্যাম্প প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৪৭ ভোট।
পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে ব্রিজ প্রতীক নিয়ে ২৬১ ভোট পেয়ে ওলিয়ার রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সোহেল রানা টেবিল ল্যাম্প প্রতীকে পেয়েছেন ১৮০ ভোট। ছয় নম্বর ওয়ার্ডে ডালিম প্রতীক নিয়ে ৩৩৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সিরাজুল ইসলাম উজ্জ্বল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সোহরাব হোসেন উটপাখি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৬৯ ভোট।
সাত নম্বর ওয়ার্ডে পানির বোতল প্রতীক নিয়ে ৪০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন শহিদুল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডালিম প্রতীকের হিরু আহমেদ পেয়েছেন ২২১ ভোট।
আট নম্বর ওয়ার্ডে ডালিম প্রতীক নিয়ে ৩৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন শহিদুল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিপন হোসেন উটপাখি প্রতীকে পেয়েছেন ২২৬ ভোট।
নয় নম্বর ওয়ার্ডে ডালিম প্রতীক নিয়ে ২৭৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মোস্তাক আহমেদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সকোত হোসেন উটপাখি প্রতীকে পেয়েছেন ১৯৪ ভোট।
এদিকে ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে চশমা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সম্পারানী সরকার। তিনি পেয়েছেন এক হাজার ৪৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৭৬০ ভোট।
৪, ৫, ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে আনারস  প্রতীকে ৬৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নমিতারানী শর্মা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জবাফুল প্রতীকের হাওয়া খাতুন পেয়েছেন ৪৪৩ ভোট। ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে চশমা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তাসলিমা খাতুন। তিনি পেয়েছেন ৯০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জ্যোৎস্না খাতুন জবাফুল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৭৭ ভোট।
রিটার্নিং অফিসার জানিয়েছেন, পৌরসভার সাত হাজার ৪৯২ জন ভোটারের মধ্যে ভোট প্রদান করেন ছয় হাজার ২৪৬ জন। বাতিল হয়েছে ৩২৯টি ভোট।

আরও পড়ুন