পিকে হালদারসহ ৬২ জনের টাকা ফ্রিজ

আপডেট: 12:41:53 15/01/2021



img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক : শুধু পি কে হালদার নয়, হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছেন তার সহযোগীরাও। ৬২ জনের প্রায় এক হাজার ৬০ কোটি টাকা ফ্রিজ করেছে দুদক। অন্যদিকে গত তিনদিনে পিকে'র সাত সহযোগী জিজ্ঞাসাবাদে হাজির না হলেও পিপল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সের সিইও ও এমডি জানান, তার দায়িত্বকালে কোন দুর্নীতি হয়নি।
দশ হাজার ২০০ কোটি টাকা লোপাটে পিকে হালদারের সহযোগী ছিলেন ৬২ জন। চিহ্নিত ব্যক্তিরা নিজেদের ভুয়া কোম্পানির নামে বিভিন্ন লিজিং কোম্পানি ও ব্যাংকের ৩৩টি শাখা থেকে কোটি কোটি টাকা ঋণ নেন। এসব ঋণের বেশিরভাগ টাকাই তুলে নিলেও হিসাবগুলোতে থাকা এক হাজার ৬০ কোটি টাকা ফ্রিজ করে দুদক।
অভিযুক্তদের মধ্যে গত চার দিনে সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা থাকলেও কেউই হাজির হননি। জিজ্ঞাসাবাদের চতুর্থ দিনে বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে পিপলস লিজিং-এর সিইও ও এমডি সামী হুদাসহ তিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। বাকিরা হলেন একই কোম্পানির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী আহমেদ জামাল এবং পিপল লিজিং-এর হেড অব ক্রেডিট মাহামুদা কায়সার। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পিকে হালদারের কর্মকাণ্ডে কেউই জড়িন নন বলে দাবি করেন।
পিপলস লিজিং-এর এমডি সামী হুদা বলেন, 'আপনারা এটা প্রমাণ করেন যে আমাদের সাথে তার কথা হয়। আমাদের সাথে তো তার যোগাযোগ করার কোনো কারণ নেই। পিকে হালদার বলে তো এখানে কেউ ছিল না।'
এদিকে পি কে হালদারের সহযোগীদের অর্থ জব্দ করা ছাড়াও কানাডা, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যেসব বাংলাদেশিদের বাড়ি ও ফ্ল্যাট আছে তাদের তথ্য চেয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়ার কথা জানান দুদক সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। বলেন, 'বিভিন্নজনের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে যে তার সূত্র বিভিন্ন দিকে আছে। তো আমরা ইতিমধ্যে অনেককেই জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। আমরা জেনেছি যে ৬২ ব্যক্তির সাথে তার যোগাযোগ ছিল। এখন পর্যন্ত আমরা ৫১ কোটি ৮০ লাখ সাত হাজার টাকা জব্দ করেছি বিভিন্ন জায়গা থেকে।'
এছাড়া ক্যাসিনোকাণ্ড ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে ১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রমাণের প্রেক্ষিতে কাজী আনিসের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
সূত্র : সময় নিউজ

আরও পড়ুন