পাইকগাছার চারটি গুরুত্বপূর্ণ খাল খনন করা হচ্ছে

আপডেট: 07:10:54 05/04/2021



img

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি : পাইকগাছার চারটি জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারি খাল খনন করা হচ্ছে।
জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় উপজেলার দুটি ইউনিয়নের চারটি খাল খনন কাজ শুরু করা হয়েছে। খনন কাজ বাস্তবায়ন করছে মৎস্য অধিদপ্তর। ইতোমধ্যে দুটি খালের ৬০ ভাগ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে আরো দুটি খালের খনন কাজ শুরু করা হবে বলে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্রকুমার দাস জানিয়েছেন।
চারটি খালের মধ্যে দুটি লতা ইউনিয়নে এবং দুটি দেলুটী ইউনিয়নে। লতার দুটির মধ্যে একটি হচ্ছে উলুবুনিয়া মরা নদী। যার আয়তন ১ দশমিক ৫৯৭ হেক্টর। শামুকপোতা আবাসন থেকে পুটিমারী মন্দির পর্যন্ত খালটি খননের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।
দ্বিতীয়টি হচ্ছে গয়েশার খাল। যার আয়তন ১ দশমিক ৬২৫ হেক্টর। শিবের বাড়ি থেকে শামছুর আলীর বাড়ি পর্যন্ত খালটি খননে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৯ লাখ ৮২ হাজার টাকা।
দেলুটীর দুটি খালের মধ্যে একটি হচ্ছে গেওয়াবুনিয়া (বরোপিট); যার আয়তন ১ দশমিক ৬১ হেক্টর। ব্রজেন মণ্ডলের বাড়ি থেকে ক্ষীতিশ মণ্ডলের বাড়ি পর্যন্ত খালটি খননের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।
অপরটি হচ্ছে পারমধুখালী খাল; যার আয়তন ১ দশমিক ৬০ হেক্টর। গৌরাঙ্গ ঢালীর বাড়ি থেকে রাধানগরের সীমানা পর্যন্ত খালটি খননে বরাদ্দ হচ্ছে ১৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্রকুমার দাস জানান, এধরনের প্রকল্প এলাকায় এটিই প্রথম। চারটি খালের মধ্যে লতার উলুবুনিয়া ও দেলুটীর গেওয়াবুনিয়া খালের ৬০ ভাগ খনন কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী কিছু দিনের মধ্যে লতার গয়েশার খাল ও দেলুটীর পারমধুখালী খালের খনন কাজ শুরু করা হবে। স্কেভেটর দিয়ে খনন করা হচ্ছে। ফলে আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ খনন কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, খনন কাজ সার্বিক তদারকি করা হচ্ছে। খনন কাজ শেষ হলে সুপেয় পানি সংরক্ষণ, কৃষি ফসলের সেচ কাজে ব্যবহার, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণ, প্রদর্শনী খামার কাজে ব্যবহার, মৎস্যজীবিদের জীবিকা নির্বাহ, দেশীয় প্রজাতি মাছের উৎপাদন ও সংরক্ষণসহ নানাভাবে চারটি খাল উপকারে আসবে।

আরও পড়ুন