দামুড়হুদার এসআইয়ের বিরুদ্ধে অর্থবাণিজ্যর অভিযোগ

আপডেট: 10:55:05 24/01/2021



img

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা মডেল থানার এসআই আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে শ্বশুর-জামাইকে আটক করে জেল জরিমানার ভয় দেখিয়ে অর্থ বাণিজ্যর অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৯ জানুয়ারি রাতে।
অভিযোগে জানা যায়, মেহেরপুরের গহরপুর গ্রামের স্বপন আলীর স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে অপহরণের অভিযোগে গত ১৯ জানুয়ারি রাত সাড়ে দশটার দিকে দামুড়হুদা মডেল থানার এসআই আমজাদ হোসেনসহ একদল গোপালপুর গ্রামের মরহুম আত্তাব আলীর ছেলে দিনমজুর হাসাদ আলী ও তার মেয়ে জামাই লক্ষ্মীপুর গ্রামের জাহিদুল ইসলামকে আটক করে। এরপর তাদের লক্ষীপুর গ্রামের টুকুকাটার মাঠে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন চালায় এসআই আমজাদ হোসেন। পরে রাত ১২টার দিকে তাদের থানায় নিয়ে যায়। ওই রাতেই হাসাদের ছেলে জিহাদ (১৫) ও স্বপন আলীরর স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে থানায় হাজির করা হয়। এরপর এসআই আমজাদ হোসেন তাদের ভয়ভীতি ও জেলা-জরিমানার কথা বলে টাকা দাবি করে।
ভুক্তভোগী হাসাদ আলী বলেন, এসআই আমজাদ হোসেন ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা দাবি করে। আমি বলি স্যার আমিতো দিনমজুর, এতো টাকা কোথায় পাবো। এরপর তিনি এক লাখ টাকা দাবি করেন। আমি বলি স্যার এতো টাকা দেয়া সম্ভব না। কোথায় পাবো এতো টাকা?  পরদিন বুধবার (২০ জানুয়ারি) আমার স্ত্রী বিভিন্ন জায়গায় ধারকর্জ করে  ২০ হাজার ও ঘরে থাকা ৮ হাজার টাকাসহ মোট ২৮ হাজার টাকা নিয়ে থানায় আসে। ওইদিন বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে এসআই আমজাদ হোসেন ২৮ হাজার টাকা গুনে নিয়ে আমাদের ছেড়ে দেয়।
এ বিষয়ে এসআই আমজাদ হোসেন বলেন, ছেলে-মেয়ে উদ্ধারের সময় ওসি আব্দুল খালেক স্যার নিজে ছিলেন। আমরা ছেলে ও মেয়েকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। ছেলে-মেয়ে পরস্পর আত্মীয় হওয়ায় মেয়ের বাবা থানা থেকে অভিযোগ তুলে নেয়। তারপর থানা থেকে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। টাকা নেয়ার ব্যাপারটি তিনি অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল খালেক বলেন, এ ঘটনাটি আমাদের পুলিশ অফিসে কর্মরত একজনের। স্কুলপড়ুয়া মেয়েটি তারই আত্মীয়। সে কারণে মেয়েটিকে উদ্ধারের সময় আমি নিজেই ছিলাম। এ সময় আমার অগোচরে যদি টাকা নেয়ার ঘটনা ঘটে তবে আমি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

আরও পড়ুন