জমছে না সাতমাইল পশুহাট

আপডেট: 08:01:24 12/07/2020



img

সংবাদদাতা, শার্শা (যশোর) : দক্ষিণবঙ্গের সবচেয়ে বড় পশুর হাট শার্শার বাগআঁচড়া সাতমাইল করোনা পরিস্থিতির কারণে জমছে না। যদিও কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে পর্যাপ্ত পশু উঠছে হাটটিতে। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তদারকি থাকায় এবার মানসম্পন্ন পশু পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের।
এই অঞ্চলের বৃহত্তম পশুর হাটটি থেকে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা গরু কিনে থাকেন। খামারিরা বলছেন, এ বছর করোনার কারণে ভালো দামে গরু বিক্রি করতে পারছেন না তারা । কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে হতে যাওয়া ঈদকে ঘিরে গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়ছেন খামারিরা।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, শুধু শার্শা উপজেলার ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ১১শ’ খামারের গরু বিভিন্ন পশুর হাটে নিচ্ছেন বিক্রেতারা। কিন্তু সেই অনুযায়ী ক্রেতা আসছেন না।
শার্শা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাসুমা আখতার জানান, এবারের কুরবানির পশুর হাটে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে করোনা পরিস্থিতি । যশোরে জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে ১৩টি পশুর হাট রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় হাট শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সাতমাইলে অবস্থিত। এই হাটে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা তদারকি করা হচ্ছে।
বাগআঁচড়া সাতমাইল বাজারের ইজারাদার নাজমুল হাসান জানান, পশুর তুলনায় ক্রেতা অনেক কম। তারা মোটা টাকায় হাট ইজারা নিয়ে বিপুল লোকসানের মুখে পড়তে চলেছেন।
হাট পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি আবু তালেব জানান, করোনা পরিস্থিতির কারণে হাটে ক্রেতা কম আসছেন। ফলে বেচাকেনাও কম।
তিনি আরো জানান, ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন, তার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। এছাড়া পশুহাটটি সর্বক্ষণিক প্রশাসনের তদারকিতে আছে। ক্রেতার অভাবে বিক্রেতারা লোকসানে পশু বিক্রি করছেন।

আরও পড়ুন