ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ : ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে আরেক মামলা

আপডেট: 03:34:19 26/09/2020



img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক : সিলেটে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে পৃথক আরেকটি মামলা হয়েছে।
শনিবার শাহপরান থানার এসআই মিল্টন সরকার মামলাটি করেন।
এর আগে ভোররাতে সাইফুর রহমানের কক্ষে অভিযান চালিয়ে একটি পাইপগানসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
শাহপরাণ থানার ওসি কাইয়ুম চৌধুরী জানান, এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের ঘটনায় যে ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের মধ্যে সাইফুর রহমান নামে একজনের কক্ষ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার ভোররাতে ওই ছাত্রাবাসে তার কক্ষ থেকে একটি পাইপগান, চারটি রামদা, একটি ছুরি ও দুটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয় বলে জানান তিনি।
শুক্রবার রাতে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মী ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে রাত সাড়ে দশটার দিকে ওই দম্পতিকে ছাত্রাবাস থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ধর্ষণের শিকার তরুণীকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণ সুরমার নবদম্পতি শুক্রবার বিকেলে প্রাইভেট কারে করে এমসি কলেজে বেড়াতে যান। বিকেলে এমসি কলেজের ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মী স্বামী-স্ত্রীকে ধরে ছাত্রাবাসে নিয়ে প্রথমে মারধর করে। পরে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ করে তারা। ছাত্রলীগ নেতাদের প্রত্যেকেই ছাত্রাবাসে থাকে।
গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা করেছেন ধর্ষিতার স্বামী। শনিবার সকালে ছয়জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে অভিযুক্ত করে নগরের শাহপরান থানায় এ মামলা করা হয়।
মামলার আসামিরা হলো, এমসি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা ও ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫), সাইফুর রহমান (২৮), রবিউল ইসলাম (২৫), অর্জুন লস্কর (২৫) ও তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮) ।
এদের মধ্যে অর্জুন ও তারেক (২৮) বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী।
আসামিদের মধ্যে সাইফুরের বাড়ি বালাগঞ্জে, রবিউলের দিরাইয়ে, মাছুমের কানাইঘাটে, অর্জুনের জকিগঞ্জে, রনির হবিগঞ্জে এবং তারেকের বাড়ি সুনামগঞ্জে।
সূত্র : যুগান্তর

আরও পড়ুন