খুলনায় জবাইয়ের ঘটনায় ছয়জনের দণ্ড

আপডেট: 06:48:00 14/11/2019



img

খুলনা অফিস : খুলনার সেতু ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার মো. ইউনুস আলীকে জবাই করে হত্যা এবং অর্থ লুটের চাঞ্চল্যকর মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদ- দেওয়া হয়।
এছাড়া দণ্ডবিধির ৩৮০ ধারায় উল্লিখিত আসামিদের প্রত্যেককে সাত বছর করে কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক রোজিনা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে অপর তিন আসামিকে দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় দুই মাসের কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নগরীর ফুলবাড়িগেট দারোগাবাজার এলাকার শেখ শাহারিয়ার হোসেনের ছেলে মো. সাব্বির হোসেন ওরফে তপু, একই এলাকার শেখ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে শেখ রুবায়েত হোসেন ওরফে রুবেল এবং নগরীর মৌলভিপাড়া টিভি বাউন্ডারি রোডের চেয়ারম্যান বাড়ির ভাড়াটিয়া (গ্রাম-নুরুল্লাপুর, উপজেলা- মোরেলগঞ্জ, জেলা-বাগেরহাট) আব্দুল কালাম শেখের ছেলে মো. সোহেল শেখ।
দুই মাসের কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন, নগরীর দৌলতপুরস্থ মহেশ্বরপাশা এলাকার মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে রানা কবির, হাফিজুর রহমান এবং পংকজ শীল। রায় ঘোষণার সময় রানা কবির ছাড়া অন্য পাঁচ আসামি কাঠগড়ায় ছিলেন।
আদালতের সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১৩ জুন ভোরে দুর্বৃত্তরা নগরীর সাউথ সেন্ট্রাল রোডে সেতু ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার মো. ইউনুস আলীকে জবাই করে হত্যার পর প্রতিষ্ঠানের ক্যাশ কাউন্টার থেকে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা লুট করে পালিয়ে যায়। নিহত ইফনুস আলী রূপসা উপজেলার মহিশাগুনি গ্রামের আব্দুল আওয়াল মোড়লের ছেলে।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. আমজাদ হোসেন মোড়ল ঘটনার দিনই খুলনা থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুলনা থানার তৎকালীন এসআই কাজী মোস্তাক আহমেদ দ-প্রাপ্ত ছয়জনকে অভিযুক্ত করে একই বছরের ৭ সেপ্টেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাডভোকেট সাব্বির আহমেদ মামলাটি পরিচালনা করেন। তিনি এইসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন