কোটচাঁদপুরে দুর্ঘটনা, তেলবাহী ট্রেনের চালক সাসপেন্ড

আপডেট: 05:22:55 27/10/2020



img
img
img

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : কোটাচাঁদপুরে দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। একইসঙ্গে তেলবাহী ট্রেনের চালক আনিচুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
ট্রেন দুর্ঘটনাটি ঘটে সাবদালপুর রেলস্টেশনে সোমবার দিনগত রাতে। প্রায় নয় ঘণ্টা পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আবার রেলযোগাযোগ শুরু হয়।
দুই ট্রেনের সংঘাতের ফলে একটি ট্রেনের তিনটি কন্টেইনার ফেটে গিয়ে এলাকা তেলে সয়লাব হয়ে যায়। ওই তেল সংগ্রহের জন্য এলাকার বিপুল সংখ্যক লোক ভিড় জমান।
ওই এলাকার বাবু মিয়া নামে এক ব্যক্তি জানান, কোটচাঁদপুর উপজেলার সাবদালপুর রেলস্টেশনের প্লাটফর্মের পূর্ব প্রান্তে দুর্ঘটনাটি ঘটে। রাত পৌনে দুটোর দিকে দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে বিকট শব্দ হয়। শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েন। ওই সময় তারা দেখেন, তেলবাহী ট্রেনের তিনটি কন্টেইনার লাইনের ধারে উল্টে পড়ে আছে। দুটি কন্টেইনার একটি আরেকটি ওপর উঠে গেছে। প্রতিটি কন্টেইনার থেকে তেল পড়ে আশপাশের গর্ত-নালা উপচে রাস্তায় স্রোত বয়ে যাচ্ছে। ওই লোকজন হাড়ি-পাতিল এনে তেল ভরে নিয়ে যান। এভাবে সকাল নয়টা পর্যন্ত ওই এলাকার মানুষ তেল মাটি থেকে সংগ্রহ করে।
সাবদালপুর রেলস্টেশন মাস্টার গোলাম মোস্তফা জানান, রাত একটা ৪২ মিনিটে প্রথমে দর্শনা থেকে খুলনাগামী মালবাহী ডিজিএম-২৬ ডাউন ট্রেনটিকে স্টেশনের এক নম্বর লাইনে দাঁড়ানোর জন্য সিগন্যাল দেওয়া হয়। ট্রেনটি প্লাটফর্মে ঢুকে দাঁড়ানোর মুহূর্তে খুলনা থেকে পার্বতীপুরগামী তেলবাহী ট্রেনটি অপর দিক থেকে সিগন্যাল অমান্য করে এক নম্বর লাইনে ঢুকে পড়লে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
তিনি জানান, ভোরে ঈশ্বরদী থেকে ১২০ টনের ক্ষমতাসম্পন্ন উদ্ধারকারী ট্রেন দুর্ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছে এবং সকাল সাতটার দিকে উদ্ধার কাজ শুরু করে। বেলা ১১টার পর আবার ট্রেনচলাচল স্বাভাবিক হয়।
রেল সূত্র জানায়, প্রতিটি কন্টেইনারে ২৬ হাজার লিটার করে ডিজেল ছিল; যা সম্পূর্ণ পড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এই ডিজেলের মালিক পেট্রোবাংলা।

আরও পড়ুন