কলেজছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ চাচার বিরুদ্ধে

আপডেট: 01:14:10 21/09/2020



img

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : মণিরামপুরে এইচএসসি পরীক্ষার্থী এক কলেজছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে তার চাচার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রোববার থানায় মামলা করেছেন মেয়েটির বাবা রেজাউল করিম।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার হাজরাকাঠি বেলতলা এলাকা থেকে জোর করে মাইক্রোবাসে তুলে মেয়েটিকে অপহরণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
অভিযুক্ত মহিদুল ইসলাম হাজরাকাঠি বেলতলা গ্রামের হাবিবুর সানার ছেলে। তিনি সম্পর্কে মেয়ের বাবার ফুফাতো ভাই। বেলতলা এলাকায় ইটভাটা রয়েছে মহিদুলের।
মহিদুল ছাড়াও অন্য অভিযুক্তরা হলেন, মশ্মিমনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্পাদক শহিদুল ইসলামের ছেলে সিয়াম হোসেন, বেলতলা এলাকার জুম্মাত আলী সানার ছেলে আব্দুল কাদের ও মোস্তফা হোসেনের ছেলে আশরাফুল ইসলাম।
মামলার বাদী রেজাউল করিম বলেন, ‘আমার মেয়ে এবার রাজগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থী। শনিবার বিকেলে বাড়ির পাশের দর্জি লিপির বাড়িতে জামা আনতে গিয়েছিল সে। সেখান থেকে ফেরার পথে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মহিদুল তার অপর তিন সহযোগী সিয়াম, আব্দুল কাদের ও আশরাফুলকে নিয়ে মেয়েটিকে জোর করে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। এখনো তার কোনো সন্ধান পাইনি।’
তবে মশ্মিমনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মহিদুলের সঙ্গে সাথীর আট বছরের সম্পর্ক। সে মেয়েটিকে কলেজে আনা-নেওয়া করতো; টাকা-পয়সা দিতো। সম্প্রতি মহিদুল বিয়ের প্রস্তাব দিলে মেয়ের বাড়ির সবাই রাজি হয়। কিন্তু মেয়ের মা বিয়েতে অমত দেয়। শনিবার বিকেলে মেয়েটি মহিদুলের সাথে চলে যাওয়ার জন্য পাশের বাড়ি অবস্থান নেয়। সেখান থেকে মহিদুল তাকে তুলে নিয়ে যায়। আমার ছেলে সিয়ামসহ অন্যরা এখনো মহিদুলের সাথে আছে।’
মণিরামপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই দেবাশীষ বিশ্বাস বলেন, এই ঘটনায় মেয়েটির বাবা থানায় এজাহার দিয়েছেন। কিন্তু এখনো মামলা রেকর্ড হয়নি।
এই বিষয়ে আরো জানতে মণিরামপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলামকে একাধিকবার কল করা হয়। কিন্তু রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

আরও পড়ুন