আনোয়ার হোসেন বিপুলের বিরুদ্ধে সমন

আপডেট: 04:09:01 14/09/2020



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুলের বিরুদ্ধে আদালত সমন জারি করেছেন।
আজ সোমবার দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী কেশবপুর, যশোর আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম এ আদেশ দেন। বিকেলে আদালত সূত্র জানায়, শুধু আনোয়ার হোসেন বিপুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করে সমন জারি করেছেন আদালত। বাদবাকি তিন অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে যশোরের কেশবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাজী আযহারুল ইসলাম মানিক আজ সোমবার আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে মানহানির একটি পিটিশন দাখিল করেন।
যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে ‘হত্যা পরিকল্পনার’ অভিযোগসম্বলিত একটি সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় কেশবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাজী আযহারুল ইসলাম মানিক এই পিটিশন দাখিল করেন।
পিটিশিনে তিনি দাবি করেন, গত ৭ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোর ছয় নম্বর পৃষ্ঠায় সাংসদের বিরুদ্ধে ‘হত্যা পরিকল্পনার’ অভিযোগ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় তারা বিস্মিত, মর্মাহত এবং বিক্ষুব্ধ হয়েছেন। মামলার এক নম্বর আসামি আনোয়ার হোসেন বিপুল সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রেসক্লাব যশোর মিলনায়তনে সাংবাদিক সম্মেলন করে যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগ উত্থাপন করেন। সেখানে বলা হয়, তিনি কাঁঠালতলাস্থ ব্যক্তিগত কার্যালয়ে বসে তাকে (বিপুল) হত্যার পরিকল্পনাসহ তার (এমপি) নির্দেশে ক্যাডাররা বিপুলের নামে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।
পিটিশনে আরো বলা হয়, এইসব ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক বক্তব্য উপস্থাপনের মাধ্যমে শাহীন চাকলাদারের মতো একজন জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সৎ, যোগ্য, ত্যাগী নেতার সুনাম ও সুখ্যাতি বিনষ্ট করেছেন আসামিরা পরস্পর যোগসাজস করে। একারণে সংসদ সদস্য ও বাদীর সম্মানহানি হওয়ায় ৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে তিনি এই মামলা করেছেন।
পিটিশনে চারজনকে অভিযুক্ত করা হয়। এরমধ্যে আনোয়ার হোসেন বিপুল ছাড়াও রয়েছেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান এবং যশোর প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম ও মাসুদ আলম। তবে শেষোক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নেননি আদালত। যদিও বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম পিটু দুইজনের নামে সমন জারির তথ্য দিয়েছেন
আইনজীবী রফিকুল ইসলাম পিটু বলেন, ‘বিজ্ঞ আদালত এক (আনোয়ার হোসেন বিপুল) ও দুই নম্বর (মনিরুল ইসলাম) আসামিকে আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। তিন (মাসুদ আলম) ও চার নম্বর (মতিউর রহমান) আসামিকে আমলে নেননি। আদালতের পরবর্তী ধার্যদিন ৭.১০.২০২০।’
গত ৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে প্রেসক্লাব যশোর কনফারেন্স রুমে আনোয়ার হোসেন বিপুল সংবাদ সম্মেলন করেন। সেই সংবাদ সম্মেলনে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে ‘হত্যা পরিকল্পনার’ অভিযোগ আনেন। সেদিনই  দেশের বিভিন্ন নিউজপোর্টাল এবং পরেরদিন স্থানীয়সহ জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়।

আরও পড়ুন