আট মাস পর সাংবাদিকদের পদচারণায় মুখর প্রেসক্লাব

আপডেট: 08:01:21 12/09/2020



img

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : প্রায় আট মাস পর সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন সর্বশেষ নির্বাচিত বৈধ কমিটির নেতারা।
শনিবার বেলা একটার দিকে আদালতঘোষিত অবৈধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফর রহমান উপস্থিত থেকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সকল প্রকার নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করেন নির্বাচিত কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপির নেতৃত্বাধীন কমিটির কাছে। ওই সময় সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা সালাউদ্দিন, সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসাস ইনচার্জ (ওসি) মো. আসাদুজ্জামানসহ সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এরআগে আদালত ঘোষিত অবৈধ কমিটির পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করা হয়। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে সকাল আটটা থেকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সাংবাদিকদের জান-মালের নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সর্বশেষ ভোটার তালিকা অনুযায়ী বৈধ সদস্য ছাড়া অন্যদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়।
এদিকে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের বৈধ সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপির নেতৃত্বে ৭৫ জন বৈধ সদস্যের মধ্যে প্রায় ৬০ জন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে প্রবেশ করেন। ওই সময় প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠে। কিছু সময় পর আদালতঘোষিত অবৈধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফর রহমানসহ তাদের পক্ষীয় সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল, আকতারুজ্জামান বাচ্চু, শহিদুল ইসলাম, কামরুল হাসান, আবুল কালামসহ ৭-৮ জন প্রেসক্লাবে ঢোকেন। মোজাফ্ফর রহমান সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অফিস রুমের তালা খুলে দিয়ে বৈধ কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যদের সেখানে বসান। কিন্তু অফিস রুমে স্থান সংকুলান না হওয়ায় পরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের হল রুমে সবার বসানোর ব্যবস্থা করেন। তিনি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করেন এবং আদালতনির্ধারিত সময়ের মধ্যে আর্থিক ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
এরআগে সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা সালাউদ্দিন সাতক্ষীরা সদর সহকারী জজ আদালতে দায়ের করা দেওয়ানি ২৩/২০২০ মামলায় গত ৭ সেপ্টেম্বর তারিখে ঘোষিত আদেশ পড়ে শোনান।  ওই আদেশে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রেসক্লাবের শারীরিক ও আর্থিকসহ সব দায়-দায়িত্ব আবু আহমেদ ও মমতাজ আহমেদ বাপির নেতৃত্বাধীন কমিটির কাছে হস্তান্তরের জন্য বলা হয়।

আরও পড়ুন