আক্রান্তের সংখ্যা ২০, একজন আইসিইউতে

আপডেট: 06:40:09 20/03/2020



img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক : বাংলাদেশে আরো তিনজনের মধ্যে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে, যাদের মধ্যে সত্তরোর্ধ্ব একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা শুক্রবার আইইডিসিআরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, এই তিনজনকে নিয়ে বাংলাদেশে আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কারও মৃত্যুর তথ্য আসেনি; এ পর্যন্ত বাংলাদেশে একজনেরই মৃত্যু হয়েছে।  
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, নতুন আক্রান্ত তিনজনের মধ্যে একজন নারী, তার বয়স ৩৮ বছর। দুজন পুরুষের মধ্যে একজনের বয়স ৩০ এর ঘরে, অন্যজনের ৭০ এর বেশি। 
সত্তরোর্ধ্ব ওই ব্যক্তি ‘ক্রিটিক্যাল কনডিশনে’ আছেন। তার ‘কোমরবিডিটি’ (অন্যান্য স্বাস্থ্য জটিলতা) আছে এবং তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে বলে জানান নাসিমা সুলতানা।
তিনি বলেন, ত্রিশোর্ধ্ব পুরুষ রোগী ইতালি ও জার্মানি ঘুরে এসেছেন। আর বাকি দুজন সংক্রমিত হয়েছেন অন্যদের মাধ্যমে। তাদের মধ্যে ওই নারী ইতালি-ফেরত একজনের সংস্পর্শে এসেছিলেন।
ব্রিফিংয়ে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় কভিড-১৯ আক্রান্ত সন্দেহে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার জন্য আইসোলেশনে রাখা ব্যক্তি ৩০। এছাড়া পরীক্ষার জন্য গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৩৬ জনের। এই সময়ে ৪৪ জন বিদেশফেরত ব্যক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) এক ব্যক্তিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করার গুঞ্জনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে এক সাংবাদিক জানতে চেয়েছিলেন, তাকেও আক্রান্তের তালিকায় রাখা হয়েছে কি না।
উত্তরে আইডিসিআরের মেডিকেল এন্টোমোলজি বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এএসএম আলমগীর বলেন, “ওই ব্যক্তি এখানে অন্তর্ভুক্ত নন। ওটা রি-টেস্টিংয়ের প্রয়োজন রয়েছে।”
বাংলাদেশে নভেল করোনাভাইরাসের ‘কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের’ (সামাজিকভাবে একজন থেকে আরেকজনে ছড়িয়ে পড়া)  কোনো ঘটনা পাওয়া গেছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এখন বিদেশফেরতদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আক্রান্ত পাচ্ছি আমরা। পরিবারের বাইরে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।”
সূত্র : বিডিনিউজ

আরও পড়ুন