অপহরণ না স্বেচ্ছায় গমন!

আপডেট: 03:02:08 23/10/2017



img

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : মণিরামপুরে ১৫ বছর বয়সী দশম শ্রেণিপড়ুয়া এক ছাত্রীকে অপহরণচেষ্টার অভিযোগে চারজনকে ধরে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, ইমরান হোসেন, মনিরুল ইসলাম, আজিজুর রহমান ও মনিরুজ্জামান। তাদের বাড়ি পাশের কেশবপুর উপজেলার বড়পাতড়া গ্রামে।
রোববার সকাল দশটার দিকে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কুমারঘাটা বাজারে  একটি কার ব্যারিকেড দিয়ে স্থানীয়রা তাদের ধরেন। খবর পেয়ে নেহালপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই শেখ খাইরুল বাসার তাদের ক্যাম্পে নিয়ে আসেন। পরে স্কুলছাত্রীসহ ওই চারজনকে থানায় নেওয়া হয়।
তবে এটি অপহরণের ঘটনা না বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা।
তারা বলছেন, প্রায় নয় মাস আগে কেশবপুরের বরপাতড়া গ্রামের ইমরান হোসেনের সঙ্গে ওই মেয়েটির বিয়ে হয়েছিল। পরে দুই পরিবারের মনোমালিন্যের কারণে ঘটনাটি তালাক পর্যন্ত গড়ায়। এখন মেয়েটি আবার ইমরানের সংসারে ফিরতে তাকে ফোন করে। সেই অনুযায়ী সকালে একটি কারযোগে ইমরানসহ ওই চারজন নেহালপুর কালিবাড়ি মোড়ে আসেন। কথামতো মেয়েটি ওই কারে উঠে তদের সঙ্গে যাত্রা করে।
এদিকে, স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করা হচ্ছে বলে মেয়েটির পরিবার এলাকায় প্রচার করে। এই খবর পেয়ে সকাল ১০টার দিকে কুমারঘাটা বাজারে ব্যারিকেড দিয়ে কারটি আটকান স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে ক্যাম্পের পুলিশ গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।
নেহালপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই শেখ খাইরুল বাসার বলেন, ‘আমাদের কাছে তথ্য ছিল, স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করা হচ্ছে। এমন খবরে তাদের ধরে ক্যাম্পে আনা হয়েছে। পরে শুনি, মেয়েটির পরিবারের অমতে নয় মাস আগে বিয়ে হয়েছিল। কিছুদিন পরে সে বাবার বাড়িতে এলে তাকে তালাক নিয়ে নেওয়া হয়। আজ মেয়েটি তাদের খবর দিয়ে ডেকে এনেছে।’
বিষয়টি যাচাই বাছাই করার জন্য ওই চারজনকে থানায় আনা হয়েছে বলে জানান এসআই খাইরুল বাসার।
সন্ধ্যায় এই রিপোর্ট লেখার সময় উভয় পক্ষকে নিয়ে থানায় বৈঠক চলছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
এই বিষয়ে জানতে থানার ওসি মোকাররম হোসেনকে রিং করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুন