'সুপারকে পিটিয়ে হত্যা', পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট: 02:43:46 20/09/2017



img

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় ঘুষ না দেওয়ায় মাদরাসা সুপারকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে সদর থানার দুই উপ-পরিদর্শকসহ (এসআই) ছয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাতক্ষীরা আমলী আদালত-১ এ মাদরাসা সুপারের ভাই বজলুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
আদালতের বিচারক হাবিবুল্লাহ মাহমুদ মামলাটি গ্রহণ করে আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন, সদর থানার এসআই আসাদুজ্জামান, এসআই পাইক দেলোয়ার, এএসআই শেখ সুমন হাসান, এএসআই আশরাফুজ্জামান ও অজ্ঞাতনামা দুই কনস্টেবল।
মাওলানা সাইদুর রহমান কলারোয়া উপজেলার বাকশা হঠাৎগঞ্জ মাদরাসার সুপার ও সদর উপজেলার কাথন্ডা গ্রামের মৃত দেলদার রহমানের ছেলে।
মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মাদরাসা ছুটির পর বাড়িতে ফিরলে সদর থানার এসআই আসাদুজ্জামান, এসআই পাইক দেলোয়ার, এএসআই সুমন, এএসআই আশরাফুজ্জামানসহ দুই কনস্টেবল তাদের বাড়িতে এসে মাওলানা সাইদুর রহমানের কাছে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করে। ঘুষ না দিলে তাকে জামায়াতের মামলায় চালান দেওয়ার হুমকি দিয়ে বেদম মারধর করে পুলিশ সদস্যরা। বাড়ির উঠোনে ফেলে তাকে লাঠি দিয়ে পেটানো হয়। বুকের উপর উঠে মাড়ায় পুলিশ সদস্যরা।
পরে পাঁচ হাজার টাকা দিতে চাইলে পুলিশ তা  না নেয়নি। এরপর সুপার সাইদুরকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাকে থানার গারদখানায় ফেলে ফের মারপিট করা হয়। থানা থেকে তাকে কোর্টহাজতে পাঠানো হলে হাজত কর্তৃপক্ষ তাকে গ্রহণ না করে চিকিৎসা করিয়ে আনতে বলে।
এক পর্যায়ে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে তাকে কোর্টের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়লে রাত একটার দিকে সাইদুরকে সদর হাসপাতালে পাঠানোর পর শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন। এ সংক্রান্ত রিপোর্ট সুবর্ণভূমিসহ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
এ প্রসঙ্গে সদর থানার এসআই আসাদুজ্জামান  জানান, মামলার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

আরও পড়ুন