সেই ৩৬ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করতে নোটিস

আপডেট: 01:39:54 21/09/2017



img

আব্দুস সামাদ, সাতক্ষীরা : আশাশুনির ৩৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করতে উকিল নোটিস দেওয়া হয়েছে। এতে দুর্নীতি, অনিয়ম ও নীতিমালাবিরোধী কার্যক্রমসহ দশটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
উপজেলার চাপড়া গ্রামের নূর বক্স সরদারের ছেলে মো. মাহবুবুল হক, লাইতাড়া গ্রামের আব্দুস সবুর গাজীর ছেলে মো. সোলাইমান গাজী এবং উত্তর চাপড়া গ্রামের আবাদ আলী গাজীর ছেলে মো. হাবিবুল্লাহ গাজীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সরোয়ার আহমেদ এ নোটিস পাঠিযেছেন।
নোটিসে প্রথামিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, ডিজি, বিভাগীয় উপ-পরিচালক, সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক, সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও আশাশুনি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে আগামী সাত দিনে মধ্যে নিয়োগ সংক্রান্ত আগের সব কার্যক্রম স্থগিত করে নতুনভাবে কার্যক্রম শুরু করতে বলা হয়েছে।
আশাশুনিতে ৩৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী নিয়োগে প্রার্থীদের কাছ থেকে বিপুল টাকা হাতানোর অভিযোগে সুবর্ণভূমিসহ গণমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। এসব সংবাদ জেলা প্রশাসকের নজরে এলে তিনি এ নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের নির্দেশ দেন। বর্তমানে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত আছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়, প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে নিয়োগের বিপরীতে প্রার্থীদের কাছ থেকে মাথা প্রতি ছয় লাখ থেকে আট লাখ টাকা করে আদায় করা হয়। এই হিসেবে অন্তত তিন কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন। এছাড়া কয়েকটি ক্ষেত্রে নীতিমালা লঙ্ঘন করারও অভিযোগ ওঠে।
জানতে চাইলে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা কোনো ‘নোটিস পাননি’ উল্লেখ করে বলেন, ‘নিয়োগ বাতিল কারার এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’
আশাশুনি উপজেলা শিক্ষা অফিসারও কোনো নোটিস পাননি বলে দাবি করেন।
 তবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ১৯ সেপ্টেম্বর একটি নোটিস রিসিভ করেছেন বলে জানান। বলেন, ‘এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক আবুল কামেস মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘নীতিমালা মেনে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশ দেওয়া হবে। এখানে নীতিমালাবিরোধী কিছু করার সুযোগ নেই।’
তবে এ বিষয়ে কোনো নোটিস এখনো হাতে পাননি বলে জানান জেলা প্রশাসক।

আরও পড়ুন