ফেল করে যশোরে পলিটেকনিক ছাত্রীর আত্মহত্যা

আপডেট: 06:37:57 17/03/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরে সুমাইয়া খাতুন ঊর্মি (১৮) নামে এক কলেজছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে শহরের শেখহাটি হাইকোর্ট মোড়ে মো. টুটুল হোসেনের বসতবাড়ির তৃতীয় তলায় ছাত্রী মেসে সে আত্মহত্যা করে।
ঊর্মি ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার আলাইপুর গ্রামের মো. ওমর আলীর মেয়ে। পরীক্ষায় ফেল করায় সে আত্মহত্যা করে বলে স্বজনদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।
মামা রাকিব আহম্মেদ সুবর্ণভূমিকে জানান, ঊর্মি যশোর সরকারি পলিটেকনিক কলেজের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে তৃতীয় বর্ষে লেখাপড়া করতো। কলেজের পাশেই হাইকোর্টের মোড়ে একটি ছাত্রী মেসে থেকে লেখাপড়া করতো সে। গতকাল ঊর্মির সেমিস্টার পরীক্ষার রেজাল্ট বের হয়েছে। পরীক্ষায় ফেল করায় সে ঘরে জানালার সঙ্গে ওড়না গলায় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।
নিহতের খালু মিজানুর রহমান বাড়ির মালিক মো. টুটুল হোসেন ও ঊর্মির রুমমেট ঋতুর উদ্ধৃতি দিয়ে সুবর্ণভূমিকে জানান, ওই মেসে এক রুমে তিনটি মেয়ে থাকতো। শনিবার সকালে ঊর্মির রুমে থাকা অপর দুই ছাত্রী বাইরে গেলে সে ঘরের জানালার গ্রিলের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। মেসের পাশের রুমের মেয়েরা টের পেয়ে বাড়ির মালিকের সহযোগিতায় ঊর্মিকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের মামা রাকিব আহম্মেদ সুবর্ণভূমিকে বলেন, ‘ঊর্র্মির সেমিস্টার পরীক্ষার রেজাল্ট বের হয়েছে। সে ফেল করেছে। সেই দুঃখে আত্মহত্যা করেছে মেয়েটি।’
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার কল্লোলকুমার সাহা সুবর্ণভূমিকে বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই কলেজছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
কোতয়ালী থানার এসআই অরুণকুমার দাশ সুবর্ণভূমিকে বলেন, ‘কীভাবে কলেজছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত বলা যাবে না। তবে শুনেছি পরীক্ষার ফলাফল ভালো না হওয়া সে আত্মহত্যা করেছে।’

আরও পড়ুন