বাল্য বিয়ের শিকার কিশোরীর লাশ উদ্ধার

আপডেট: 06:48:09 20/06/2018



img

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : মণিরামপুরে অনামিকা মণ্ডল (১৪) নামে এক নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে স্বামীর বাড়ির লোকজন তার লাশটি উদ্ধার করেন।
অনামিকা উপজেলার পোড়াডাঙ্গা গ্রামের পুর্ণকুমার মণ্ডলের ছেলে চন্দন মণ্ডলের স্ত্রী। নিজ শোয়ার ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় শাড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে সে। অনামিকার স্বামী চন্দনও প্রাপ্তবয়স্ক না। মাত্র একমাস আগে বিয়ে হয়েছিল তাদের। তবে পুলিশের খাতায় অনামিকার বয়স ২০ বছর উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনায় গৃহবধূর বাবা অভয়নগরের সাভারপাড়ার স্বপনকুমার মণ্ডল বাদী হয়ে বুধবার সকাল দশটার দিকে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন।
পুলিশ অনামিকার লাশ উদ্ধার করে বেলা তিনটার দিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, অনামিকা ও চন্দন কেউ প্রাপ্তবয়স্ক নয়।
চন্দনের বাবা পুর্ণ মণ্ডলের নওয়াপাড়া বাজারে স্টুডিও আছে। অনামিকার বাবার সাথে এই পূর্ণ মণ্ডলের পুরনো সম্পর্ক। সেই সম্পর্ক আরো গাঢ় করতে তারা ছেলে-মেয়েকে অল্প বয়সে বিয়ে দিয়েছিলেন। বিয়ের পর সঙ্গত কারণে দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদের সৃষ্টি হয়। যার শিকার এই অনামিকা।
স্থানীয়রা আরো জানান, গতকাল (মঙ্গলবার) অনামিকার মা পোড়াডাঙ্গায় ছিলেন। দিনের বেলায় প্রায় তিন-চার ঘণ্টা ধরে মা-মেয়ে বাড়ির পাশে মাঠে বসে কথা বলেছে। পরে বিকেলের দিকে অনামিকার মা বাড়িতে চলে যান। আর রাতেই এই ঘটনা ঘটেছে।
মণিরামপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই তোবারক আলী বলেন, ‘মেয়েটির স্বজনরা জানিয়েছেন, তার মাথায় সমস্যা ছিল। এই কারণে সে আত্মহত্যা করেছে। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।’