মেয়েকে হত্যার অভিযোগ মায়ের বিরুদ্ধে

আপডেট: 01:52:35 21/09/2017



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরে ফারজানা আক্তার মিতু নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
স্বজনদের অভিযোগ, নিজ মা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পরে লাশ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নের পরানপুর গ্রামে মিতুর নানাবাড়ি ঘটনাটি ঘটেছে। তার লাশ পুলিশ উদ্ধার যশোর জেনারেল হাসপাতাল এনেছে।
মিতু সদর উপজেলার নোঙরপুর গ্রামের মিয়া রাজের মেয়ে এবং ঝিনাইদহ জেলা সদরের কালিকাপুর গ্রামের ওহেদ আলীর ছেলে সজল মণ্ডলের স্ত্রী।
দাদা হাসান আলী বিশ্বাস ও শ্বশুর ওহেদ মণ্ডল সুবর্ণভূমিকে জানান, মিতুর মা বিউটি বেগমের দুই বিয়ে। তার আগের ঘরের একটি মেয়ে আছে। সেই মেয়েকে তিনি এই পর্যন্ত পাঁচবার বিয়ে দিয়েছেন। প্রত্যেক জামাই পক্ষের কাছ থেকে এপর্যন্ত কাবিনের অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রায় আট মাস আগে মিতুর মা বিউটি বেগম গোপনে সজলের সঙ্গে মিতুর বিয়ে দেন। বিয়ের সময় দেড় লাখ টাকার কাবিন করা হয়। দুইজনের দাম্পত্য জীবন খুব ভালো কাটলেও মিতুর মা কৌশলে তাদের আলাদা করার চেষ্টা করেন। রাজি না হওয়ায় গত শুক্রবার বিউটি বেগম মেয়ে মিতুর শ্বশুরবাড়ি গিয়ে তাকে নিয়ে তার নানাবাড়ি আসেন। সেখানে মিতুকে তার স্বামীর সংসার ভাঙতে চাপ দেন। মিতু রাজি না হওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাকে প্রথমে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে ঘটনা ধামাচাপা দিতে লাশের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসে।
ফুলবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মাসুম বিল্লাহ সুবর্ণভূমিকে বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছি। এটা হত্যা না আত্মহত্যা তা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব না। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না।’

তবে অভিযুক্ত মা বিউটি বেগমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন