চৌগাছায় আমের ভালো ফলনের সম্ভাবনা

আপডেট: 01:11:11 17/03/2018



img

রহিদুল ইসলাম খান, চৌগাছা (যশোর) : বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে চলতি মওসুমে চৌগাছায় আমের ভালো ফলন হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
গত বছরের তুলনায় এবছর উপজেলার সব এলাকায় ছোট-বড় নতুন-পুরনো সব আমগাছে প্রচুর মুকুল এসেছে। ইতিমধ্যে কোনো কোনো গাছে গুঁটি আসতেও শুরু করেছে। প্রকৃতি অনুক‚লে থাকলে উৎপাদিত আম স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পর বিপুল পরিমাণ দেশের বিভিন্ন জেলায় রফতানি করা যাবে।
উপজেলার জগদীশপুর, পাতিবিলা, হাকিমপুর এলাকায় বেশি আমবাগান রয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, উপজেলায় তিন হাজার ২৭৫ জন চাষির ৮৫০ হেক্টর জমিতে আমবাগান রয়েছে। এছাড়াও বিক্ষিপ্তভাবে বহু আমগাছ রয়েছে গোটা এলাকায়। গত বছরের তুলনায় এ বছরে আম চাষি ও বাগানের সংখ্যা বেড়েছে। গত বছর আম চাষ চাষ হয়েছিল ৭২৫ হেক্টর জমিতে। সে তুলনায় এ বছর ১২৫ হেক্টর বেড়েছে।
উপজেলার বর্ণি গ্রামের আমচাষি ফারুক হোসেন জানান, তার বাগানে অন্য বছরের তুলনায় এ বছর বেশি মুকুল এসেছে।
চাষি লাল্টু রহমান জানান, তার দশ বিঘা জমিতে আম্রপালি, হিমসাগর, ল্যাংড়া জাতের আমগাছে এ বছর প্রচুর মুকুল এসেছে। তিনি আশা করছেন, যদি বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয় তাহলে এবছরে আমের বাম্পার ফলন হবে।
উপজেলা উপসহকারী কৃষি অফিসার চাঁদ আলী ও আমিরুল ইসলাম জানান, তারা চাষিদের বাগানে গিয়ে নানা পরামর্শ দিচ্ছেন।
কৃষকরা জানিয়েছেন, কৃষি অফিস থেকে পরামর্শ ছাড়া অন্য কোনো সহযোগিতা পান না তারা।
উপজেলা কৃষি অফিসার রইচ উদ্দীন বলেন, ‘আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা চাষিদের কাছে গিয়ে সেবাসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন।’
তিনি আরো জানান, চৌগাছা উপজেলার মাটি ও আবহাওয়া আম চাষের বেশ উপযোগী। আমবাগানে অন্যান্য ফসল চাষের পরামর্শও দেন তিনি। মিশ্র চাষের জন্য হাড়িভাঙা, বারি-৪, আম্রপালি, হিমসাগর, ল্যাংড়া জাতের আম চাষ করার পরামর্শ তার।

আরও পড়ুন