শিক্ষাকে অস্ত্র বানাতে হবে : ড. জলদাস

আপডেট: 08:36:03 15/01/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : ‘পেশার মানদণ্ডে আমাদের হরিজনদের যেভাবে অসম্পৃশ্য করে রাখা হয়েছে তা অত্যন্ত অমানবিক। আমি নিজেই তার ভুক্তভোগী। শুধুমাত্র জলদাস (জেলে) হওয়ার কারণে আমাকে ঘর ভাড়া দেওয়া হয়নি। এখনো অনেক বৈষমের শিকার হই।’
তিনি বলেন, ‘এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হলে হরিজন সন্তানদের শিক্ষা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। নিজ সম্প্রদায়ের মর্যাদার জন্য তাদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষাকে অস্ত্র বানাতে হবে। তাহলে সমাজে অবহেলা-অস্পৃশ্যতার বেড়াজাল থেকে আমাদের মুক্তি মিলবে।’
সোমবার (১৫ জানুয়ারি) যশোরের আরআরএফ ট্রেনিং অ্যান্ড রিসোর্স সেন্টারে শুরু হওয়া তিন দিনের আবাসিক কর্মশালার উদ্বোধনী দিনে ঔপন্যাসিক ও গবেষক অধ্যাপক ড. হরিশংকর জলদাস এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সংগঠন এবং তাদের নিয়ে কর্মরত মানবাধিকার সংগঠনের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এই কর্মশালার আয়োজন করেছে খ্রিস্টিয়ান কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ (সিসিডিবি)।
শুরুতে কর্মশালার উদ্দেশ্য তুলে ধরেন সিসিটিবির হেড অব স্পেশাল প্রোগ্রামস অ্যান্ড এইচআরএমডি সিলভেস্টার হালদার। পরে দক্ষিণাঞ্চলের ‘ঋষিদের উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন’-এর ওপর বক্তব্য রাখেন জাতীয় ধর্মীয় সামাজিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র যশোরের পরিচালক ফাদার সেরজো টার্গা।
কর্মশালায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ দলিত পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অশোক দাস, সোসাইটি ফর এনভারমেন্ট অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট (সেড) এর পরিচালক ফিলিপ গাইন প্রমুখ।
কর্মশালায় দক্ষিণাঞ্চলের হরিজন, কায়পুত্র, ঋষিসহ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী ও তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করছে এমন এনজিও কর্মকর্তারা অংশ নেন।
দেবু মল্লিকের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে।