‘‘মুসলিম জাতিসংঘ’ প্রতিষ্ঠার অনিবার্যতা জোরালো হচ্ছে’’

আপডেট: 08:01:08 18/09/2017



img
img

স্টাফ রিপোর্টার : গণহত্যা, ধর্ষণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগের হাত থেকে রোহিঙ্গাদের রক্ষায় জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের ব্যর্থতার প্রেক্ষাপটে ‘মুসলিম জাতিসংঘ’ প্রতিষ্ঠার অনিবার্যতা জোরালো হচ্ছে। এই মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা।
মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও উগ্র বৌদ্ধদের বর্বরোচিত নিধনযজ্ঞের প্রতিবাদে দলটি কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সোমবার বিকেলে যশোর শহরের দড়াটানা চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ করে। সেখানে বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন নেতারা।
বিশাল এই সমাবেশে দলটির নেতারা রোহিঙ্গা নিপীড়নের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ‘জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। গণহত্যার মাধ্যমে অং সান সু চি ‘বিশ্ব সন্ত্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। ইতিহাসের ভয়াবহ ও নির্মমতম হত্যাযজ্ঞ চলছে রাখাইনে। বিশ্ব জনমত অগ্রাহ্য করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী, সু চির রাজনৈতিক দল ও উগ্র বৌদ্ধদের হিংসা সারা বিশ্বকে স্তম্ভিত করেছে। মুক্তিকামী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আর্তনাদ সমগ্র উম্মাহর আর্তনাদে পরিণত হয়েছে।
তারা মানবিক বিপর্যয় রোধ, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও রোহিঙ্গা পুনর্বাসনে রাখাইনে জাতিসংঘের নেতৃত্বে শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আশ্রয় পাওয়া রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে পুনর্বাসনে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারে সরকারের প্রতি দাবি জানান।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সুরা সদস্য ও যশোর জেলা সভাপতি আলহাজ মিয়া মো. আব্দুল হালিম।
এতে আরো বক্তৃতা করেন দলের জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ মাওলানা মো. শোয়াইব হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল আলম খোকা, সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলী সরদার, মাওলানা কাজী মাহমুদুল হাসান, মো. সাখাওয়াত হোসেন প্রমুখ।

আরও পড়ুন