কুষ্টিয়ায় ছাত্র হত্যাকারী স্বামী-স্ত্রী-ছেলের যাবজ্জীবন

আপডেট: 07:27:33 19/11/2018



img

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ায় নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে খুন হওয়া কলেজছাত্র তুহিন হত্যা মামলায় তিন আসামি বাবা, মা ও ছেলেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
আজ সোমবার দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপকুমার গোস্বামী এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকার মৃত রাকাত আলী সর্দারের ছেলে মেজবার রহমান (৫৫), মেজবার রহমানের স্ত্রী রঞ্জনা খাতুন (৪৮) ও ছেলে রইচ উদ্দিন (২৫)। রায় ঘোষণার সময় আসামি রইচ উদ্দিন পলাতক, অন্য দুইজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ১ জুন দুপুরে নিহত ওসমান গনি তুহিন তার মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে কুমারখালীর চরবানিয়াপাড়া গ্রামে নানাবাড়িতে যান। ওইদিন বিকেলে আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে রইচ উদ্দিন ও তার মা-বাবা মিলে বুকে ছুরি মেরে তুহিনকে হত্যা করে। ঘটনার দিন নিহত তুহিনের বাবা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় হত্যা মামলা করেন।
কুষ্টিয়া জজ কোর্টের পিপি অনুপকুমার নন্দী জানান, কুমারখালী থানার এই মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের অক্টোবরে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
আদালত দীর্ঘ সাক্ষ্য-শুনানি শেষে মামলার আসামিরা দোষী হাওয়ায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। বাকিদের খালাস দেন।
নিহত তুহিন কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।

আরও পড়ুন