পাইকগাছায় আওয়ামী নেতার বিরুদ্ধে দলের মানববন্ধন

আপডেট: 03:37:34 23/04/2018



img

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি : পাইকগাছা পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ সদস্য শেখ কামরুল হাসান টিপুর ব্যক্তিগত পিস্তলের লাইসেন্স বাতিল, আওয়ামী লীগের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার ও গড়ইখালীর শীর্ষ সন্ত্রাসী বাবু গাইনসহ রাসেল হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে পথসভা ও মানববন্ধন হয়েছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে সোমবার সকালে পৌরসভার সামনে প্রধান সড়কে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৩ এপ্রিল পৌর সদরের জিরো পয়েন্ট-সংলগ্ন জাতীয় শ্রমিকলীগের কার্যালয়ে ‘সাবেক শিবির নেতা’ বলায় শেখ কামরুল হাসান টিপু সন্ত্রাসীর ভূমিকায় নেমে প্রভাষক আব্দুল ওহাব বাবলুর বুকে পিস্তল ঠেকান। বিষয়টি নিয়ে খোদ আওয়ামী লীগসহ এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ ও ভীতির সৃষ্টি হয়।
বক্তারা অভিযোগ করেন, শেখ কামরুল হাসান টিপু ‘জামায়াত-বিএনপির ক্যাডারদের’ নিয়ে চলাফেলা করায় আওয়ামী লীগ নেতাসহ সাধারণ মানুষ সবসময় আতঙ্কে থাকেন। বক্তারা মানববন্ধন কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অবিলম্বে দলীয় এ নেতার পিস্তলের লাইসেন্স বাতিল ও দলের সব পদ-পদবি থেকে বহিষ্কারের দাবি জানান।
কর্মসূচি চলাকালে বক্তারা আরো বলেন, গত ১৬ এপ্রিল পৌর সদরে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় দক্ষিণ খুলনার গড়ইখালীর শীর্ষ সন্ত্রাসী বাবু গাইন ও তার সহযোগীরা মহড়া দেয়। এতে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়, অপরদিকে উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানের মতো উচ্চ পদস্থ ব্যক্তির জনসভায় বাবু গাইন ও তার সহযোগীদের উপস্থিতি সাধারণ মানুষকে হতবাক করেছে।
তারা অবিলম্বে বাবু গাইন ও সম্প্রতি তুচ্ছ ঘটনায় প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত গোপালপুর গ্রামের রাসেল হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান।
পৌরসভার মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ শেখ মনিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদ সদস্য নাহার আক্তার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি রতন ভদ্র, সাবেক সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ আফসার আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যান দিবাকর বিশ্বাস, রুহুল আমিন বিশ্বাস, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ মুনছুর আলী গাজী, জেলা যুবলীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত, আওয়ামী লীগনেতা বিজন বিহারী সরকার, শেখ হেদায়েত আলী টুকু, গোলকবিহারী মণ্ডল, গোলাম রব্বানী, আফসার উদ্দীন মোল­া, যুবলীগনেতা শেখ শহিদ হোসেন বাবুল, শেখ মাসুদুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক রাজু, বাবুলাল বিশ্বাস, উত্তম ঘোষ, আজিবর রহমান, জগদীশচন্দ্র রায়, উপজেলা তাঁতিলীগের আহ্বায়ক দেবব্রত রায়, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম মশিয়ার রহমান, যুব স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক আসিফ ইকবাল রনি, সদস্য সচিব সঞ্জয় ঘোষ, সরদার জালাল উদ্দীন ও খাদিজা বেগম।

আরও পড়ুন