ক্যাডারদের হাতে আক্রান্ত ছাত্রলীগ সভাপতি

আপডেট: 03:00:44 27/05/2018



img

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : সভাপতিসহ তিন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে পিটিয়ে জখম করেছে একই সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
শনিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ অফিস চত্বরে এই ঘটনা ঘটে। এর আগে সেখানে ছাত্রলীগের বর্ধিত সভা হয়।
আহত ছাত্রলীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন জানান, শনিবার বিকেলে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে সংগঠনকে গতিশীল করার লক্ষ্যে কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের বর্ধিত সভা হয়। সভা শেষে জেলা নেতারা চলে যান। এর পর ওই অফিস থেকে নিচে নামার সময় সিঁড়িতে আমি বলছিলাম, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনার কড়া নির্দেশ- আমি থাকাকালীন মাদকাসক্ত কোনো ব্যক্তি ছাত্রলীগের আগামী কমিটিতে আসতে পারবে না। কয়েকজনের মাদক সেবনের ভিডিও আমার কাছে রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমার এই কথা শুনে কমিটিতে আসতে ইচ্ছুক মাদকাসক্ত ছাত্রলীগ কর্মী সাঈদ, জনি, জজ, ইকবাল ও মিলন ঐক্যবদ্ধ হয়ে পেছন দিক দিয়ে আমাকে লোহার রড, চাপাতি দিয়ে মাথায় কোপ দেয়। এ সময় আমার চিৎকারে ছাত্রলীগ নেতা উজ্জ¦ল ও পলাশ ছুটে এলে তাদেরকেও মারপিট করে আহত করে মাদকাসক্তরা। পরে আমাদের উদ্ধার করে কলারোয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা শেখ মারুফ আহম্মেদ জনি বলেন, ‘‘বর্ধিত সভায় এস এম আবু সাঈদ উপস্থাপনা করছিলেন। বক্তব্য দেওয়ার জন্য তিনি আমার নাম ঘোষণা করেন। কিন্তু ছাত্রলীগ সভাপতি ইমরান প্রতিবাদ করে বলেন, ‘সাবেক কোনো নেতা বক্তব্য দিতে পারবে না।’ পরে জেলা সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজার অনুমতিক্রমে বক্তব্য দিই। বক্তব্যে আমি বলেছিলাম, ‘কলারোয়ায় ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। সংগঠনকে গতিশীল করার জন্য অতি দ্রুত নতুন কমিটি দিতে হবে।’ এ কথা বলার পর ছাত্রলীগ সভাপতি আমার উপর চড়াও হলে জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক চলে যান। পরে বর্ধিত সভা শেষে আওয়ামী লীগ অফিস থেকে নিচে নামার পর কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মারামারিও হয়।’’ 
কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লবকুমার নাথ জানিয়েছেন, ঘটনার ব্যাপারে ছাত্রলীগ সভাপতি থানায় অভিযোগ করেছেন।

আরও পড়ুন