যশোরের শংকরপুরে নাশকতা চেষ্টার মামলা, আসামি ৯

আপডেট: 07:56:45 19/03/2017



স্টাফ রিপোর্টার : গত শনিবার বিকেলে যশোর শহরের শংকরপুর পশু হাসপাতালের পেছনের একটি বাড়ি থেকে ‘বিস্ফোরক দ্রব্য এবং ইসলামী বই’ উদ্ধারের ঘটনায় নাশকতা কর্মকাণ্ড করার অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে।
শনিবার আটক তিনজন ছাড়াও আরো ৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। যদিও তাদের পলাতক দেখানো হয়েছে। মামলাটি করেছেন কোতয়ালী থানার এসআই আমির হোসেন।
শনিবারের ধৃতরা হলেন যশোর সদর উপজেলার পুলেরহাট এলাকার মনু কানার বাড়ির ভাড়াটিয়া আব্দুল জব্বারের ছেলে রবিউল ইসলাম, শংকরপুর পশু হাসপাতালের পেছনের অধ্যক্ষ মাওলানা তৈয়বুর রহমানের স্ত্রী মায়শা বিলকিস, একই এলাকার হাসান আল মামুনের স্ত্রী নুশরত পারভীন।
পলাতক আসামিরা হলেন হাসান আল মামুন ওরফে লাল, সদর উপজেলার তেঘরিয়া গ্রামের মজিদ মোড়লের ছেলে শহিদুল ইসলাম সার্ভেয়ার, মণিরামপুরের কোদলাপাড়া গ্রামের মনির উদ্দিন সরদারের ছেলে রুদ্রপুর মুক্তিযোদ্ধা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন, অভয়নগর উপজেলার ধোপাদী দপ্তরীপাড়ার মৃত সামাদ দপ্তরীর ছেলে প্রফেসর মুজিবর রহমান, চৌগাছার জগন্নাথপুর গ্রামের বুদো বিশ্বাসের ছেলে শহিদুল ইসলাম ইনসাফী এবং বেজপাড়া শংকরপুরের সুমি বেডিংয়ের মালিক আব্দুস সবুর।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার বিকেলে শংকরপুর পশু হাসপাতালের পেছনের মায়শা বিলকিসের বাড়িতে জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় সদস্যরা নাশকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে একত্রিত হয়। গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে উল্লিখিত তিনজনকে আটক করা হয়। বাকিরা পুলিশি উপস্থিতি টের পেয়ে আগেই পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে বেশ কিছু পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্য এবং ইসলামী বই উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন