মৃত জীবিত আবার মৃত

আপডেট: 01:17:20 16/03/2017



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের বেনাপোলে নাসির উদ্দিন (৪৭) নামে এক ট্রাকচালকের ‘দুইবার মৃত্যু’ হয়েছে। প্রথমে তাকে মৃত ঘোষণা করেন একটি বেসরকারি ক্লিনিকের ডাক্তারের সহকারী। দাফনের জন্য লাশ যখন তার গ্রামের বাড়িতে নেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছিল, তখন তিনি নড়ে ওঠেন। দেখা যায়, তিনি শ্বাস-প্রশ্বাসও নিচ্ছেন। দ্রুত তাকে সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। তখন সেখানকার ডাক্তার জানান, নাসির মারা গেছেন।
ট্রাকচালক নাসির উদ্দিন ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলী গ্রামের মৃত আব্দুল ওয়াদুদের ছেলে। তিনি চট্ট মেট্রো-ট-১১-২২৬২ নম্বর ট্রাকের চালক। তিনি বেনাপোলে পণ্য নিয়ে এসেছিলেন।
বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে স্ট্রোক করায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। লোকজন তখনই তাকে বেনাপোল রজনী ক্লিনিকে নিয়ে যান। ক্লিনিকটির চিকিৎসকের সহকারীরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান স্থানীয় শ্রমিকরা।
বেনাপোল শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক মো. শাহিন জানান, ক্লিনিক থেকে মৃত ঘোষণার পর স্থানীয় শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য ও ট্রাকচালকরা নাসির উদ্দিনকে রজনী ক্লিনিক থেকে বেনাপোল ট্রাকস্টান্ডে নিয়ে আসেন। তারা মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। কিন্তু ঘণ্টা দুয়েক পর হঠাৎ নড়ে ওঠেন ও শ্বাস প্রশ্বাস নিতে থাকেন নাসির উদ্দিন। নাসির বেঁচে আছেন দেখে উপস্থিত লোকজন তাকে ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে দ্বিতীয় দফায় মৃত ঘোষণা করেন।
এই ব্যাপারে বেনাপোল রজনী ক্লিনিকের মালিক ডা. আমজাদ হোসেন দাবি করেন, ‘নাসির উদ্দিনকে আমার ক্লিনিকে আনা হয়েছিল। ক্লিনিকের বাইরে থেকে চিকিৎসক রোগীর অবস্থা দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানোর পরামর্শ দেন। আমার ক্লিনিকের কোনো চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেননি।’

আরও পড়ুন