মাত্র ২২ বছরেই চোখের দৃষ্টি শেষ

আপডেট: 02:03:52 11/01/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : ব্রেন টিবিতে আক্রান্ত হয়ে দুটি চোখ হারিয়ে অন্ধ হয়ে অসহায় জীবন কাটাচ্ছেন শরিফা খাতুন (২২) নামে এক গৃহবধূ।
অন্ধ হওয়ার পর দিনমজুর স্বামীর বাড়ি ছেড়ে অবুঝ দুটি শিশুকন্যাকে সঙ্গে নিয়ে দিনমজুর বাবার বাড়িতে আশ্রয় জুটেছে তার। বাবা ইতিমধ্যে মেয়ের চিকিৎসায় সহায়-সম্বল বিক্রি করে দিয়েছেন। কিন্তু আরো অনেক টাকা দরকার। তাই দুই চোখের দৃষ্টি ফেরাতে চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন শরিফা খাতুন।
শরিফা যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারন দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামের রওশন আলীর মেয়ে। আট বছর আগে মাত্র ১৪ বছর বয়সে অষ্টম শ্রেণিতে পড়াবস্থায় বেনাপোলের সাদিপুর গ্রামের দিনমজুর ইব্রাহিমের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পরেই শরিফা মা হয়। এখন শরিফার দুটি কন্যাসন্তান। বড় মেয়ে সুরাইয়ার বয়স সাত; ছোট মেয়ে সুমাইয়ার বয়স এক বছর।
পরিবারটির সদস্যরা জানিয়েছেন, শরিফা ব্রেন টিবি রোগে আক্রান্ত। এতে ক্রমাগত তার মাথায় ব্যথা অনুভূত হতে থাকে। ডাক্তাররা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতে নিতে বলেন। অসহায় দিনমজুর বাবা রওশন আলী কলকাতার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে শরিফাকে নিয়ে যান। সেখানে ডাক্তার তার ব্রেন টিবি অপারেশন করেন। কলকাতায় শরিফার দুই বার অস্ত্রোপচার করা হয়। এর প্রভাব পড়েছে দুই চোখের ওপর। কিছুদিন পর শরিফার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যায়। অন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে শরিফা তার স্বামীর সংসার ছেড়ে বাপের বাড়িতে চলে এসেছেন।
বাবা রওশন আলী বলেন, ‘শরিফার চিকিৎসা খরচ এখন পর্যন্ত ছয় লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। জমি বিক্রি করে চিকিৎসা করিয়েছি। এখন আর খরচ করার মতো একটি টাকাও নেই। অথচ চোখের দৃষ্টি ফেরাতে এখনো আট লাখ টাকা দরকার।’
তিনি সমাজের বিত্তবানদের কাছে তার মেয়ের চোখের দৃষ্টি ফেরাতে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। সাহায্য পাঠানোর বিকাশ নম্বর : ০১৯২১-৮২৬৫৩৯।