মহেশপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণে অভিযুক্তরা গ্রেফতার হয়নি

আপডেট: 09:20:29 09/01/2018



img

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : মহেশপুর উপজেলার সেজিয়া গ্রামে স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে রাতভর ধর্ষণের ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। অভিযুক্তরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় তারা ঘটনা ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
গেল সপ্তায় এক মেম্বারের নেতৃত্বে ওই নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ইউপি সদস্য জানান, গত রোববার নেপা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামছুল হক মৃধা মহিলা ইউপি সদস্যদের দিয়ে ‘ধর্ষিত’কে ডেকে আনেন ইউনিয়ন পরিষদে। পরিষদে তখন মেম্বাররা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ওই নারী সারা রাত তার ওপর ইউপি সদস্য আলীম মেম্বার ও তার দুই সহযোগী কামাল ও তরিকুলের নির্যাতনের বর্ণনা দেন।
ইউপি সদস্য আরো জানান, ‘ধর্ষিত’নারী পরিষদে আসার আগেই আলীম মেম্বার সেখান থেকে সটকে পড়েন।
নেপা ইউপি চেয়ারম্যান সামছুল হক মৃধা ওই নারীকে পরিষদে ডেকে আনার কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আমি ও আমার পরিষদের ইউপি সদস্যরা ওই নারীর মুখ থেকে প্রকৃত ঘটনা শোনার জন্য তাকে ডেকে এনেছিলাম।’
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার ইনসপেক্টর (তদন্ত) ফারুক হোসেন জানান, আসামিদের ধরতে প্রতিরাতেই সীমান্ত এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে। তবে আসামিরা পালাতক থাকার কারণে গ্রেফতার করা যাচ্ছে না।
তবে এলাকাবাসী বলছেন, অভিযুক্তদের ঘোরাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে। এমনকি তারা ঘটনাটি নানা কায়দায় মীমাংসা করারও চেষ্টা করছেন।
গত বুধবার রাতে স্বামী পরিত্যক্তা এক নারীকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে ইউপি সদস্য সেজিয়া গ্রামের আলীম মেম্বার ও তার দুই সহযোগী কামাল ও তরিকুল ইসলাম নিজের বাড়িতে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে শুক্রবার রাতে ওই নারী মহেশপুর থানায় এসে উল্লিখিত তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন।

আরও পড়ুন