মণিরামপুরে ধর্ষকের বিচার দাবি স্কুলছাত্রীদের

আপডেট: 07:10:43 15/03/2017



img

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : মণিরামপুরের একটি বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৪) অপহরণের পর ধর্ষণ ও ধর্ষণের ভিডিও মোবাইলে ধারনের সঙ্গে জড়িত পুলিশপুত্র রোমান এবং তার দুই সহযোগী রয়েল ও রুবেলকে গ্রেফতারসহ দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে।
বুধবার বেলা ১১টার দিকে স্কুলটির তিন শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপজেলার রাজগঞ্জ বাজারে এই মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধন থেকে সংশ্লিষ্ট ঘটনায় মণিরামপুর থানায় মামলা দায়ের ও মামলা গ্রহণে অসহযোগিতাকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারসহ নানা দাবি তুলে ধরা হয়। অন্যান্য দাবিগুলো হলো, ভিকটিম ও তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ভিকটিমের মানসিক ও শারীরিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করা, ভিকটিমের লেখাপড়া নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা এবং স্কুলটির ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এসব দাবি আদায়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি দেবেন বলে জানিয়েছেন।
জানতে চাইলে স্কুলটির প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ও রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি আইনুদ্দিনের অপসারণের দাবিতে আমরা মানববন্ধন করেছি। বিকেলে এই ব্যাপারে ইউএনও বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হবে।’
থানার ওসি বিপ্লবকুমার নাথ বলেন, ‘ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত মূল আসামিদের আটকে পুলিশ তৎপর রয়েছে।’
অভিযোগ করা হয়, গত ২৯ জানুয়ারি বিকেলে ওই ছাত্রীকে মোটরসাইকেলযোগে অপহরণ করে উপজেলার মশ্মিমনগর ইউনিয়নের নলতা হাকিমপুর গ্রামের কথিত কবিরাজ সাখাওয়াতের বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে রুমান নামে এক যুবক। যার ভিডিওচিত্র মোবাইলে ধারণ করে রুমানের দুই সহযোগী রয়েল ও রুবেল। এরা সবাইই রাজগঞ্জ এলাকার।
এই ঘটনায় মণিরামপুর থানায় একটি অপহরণ ও আদালতে ধর্ষণ মামলা করেন ভিকটিমের পরিবার। তবে, ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনার মূল আসামি রুমান, রয়েল ও রুবেলকে গ্রেফতারে পুলিশ সক্ষম না হলেও ইতিমধ্যে কথিত সাখাওয়াত কবিরাজ, আসামি রুমানের মা এবং রুবেল ও আসাদের বাবা-মাকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। যদিও তারা এখন জামিনে রয়েছেন।

আরও পড়ুন