পাইকগাছায় কৃষি কলেজ স্থাপনে নির্দেশনা

আপডেট: 11:53:21 16/03/2017



img

এসএস আলাউদ্দিন সোহাগ, পাইকগাছা (খুলনা) : অবশেষে খুলনার পাইকগাছায় অধিগ্রহণকৃত পূর্বনির্ধারিত স্থানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত কৃষি কলেজ স্থাপনের দ্বার উন্মুক্ত হলো।
২০১৪ সালে অস্বচ্ছ প্রতিবেদন দাখিলের কারণে প্রকল্পের কাজটি স্থগিত হযে যায়।
এরপর লস্কর ইউপি চেয়ারম্যান কেএম আরিফুজ্জামান তুহিনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফকরুল হাসানের তদন্ত প্রতিবেদন ও স্থানীয় এমপি অ্যাড. শেখ মো. নুরুল হকের প্রেরিত কয়েকটি স্থিরচিত্র সম্বলিত ডিও পত্রটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অধিগ্রহণকৃত ২৫ একর সম্পত্তিতে কৃষি কলেজ স্থাপনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
গত ৫ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফকরুল হাসান অধিগ্রহণকৃত জমিতে কৃষি কলেজ স্থাপনের জন্য ইতিবাচক মতামত দিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠালে ৯ মার্চ, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ ড. নমিতা হালদার স্বাক্ষরিত ০৩.০০২.৪৮০০০০.০৪.২০১৭.৩৮ স্মারকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আইলা পরবর্তী ২০১০ সালের ২৩ জুলাই কয়রার বাগালী ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাবেক সরকার দলীয় এমপি অ্যাড. সোহরাব আলী সানার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পাইকগাছায় তিনি একটি কৃষি কলেজ স্থাপনের ঘোষণা দেন।
জানা গেছে, একনেক সভায় অনুমোদনের পর বহু খোঁজাখুজির পর শিবসা ব্রিজের অপর পাশে পাইকগাছা - কয়রা সড়কের ধারে লস্করের চকবগুড়া মৌজায় ২৫ একর সম্পত্তি সরকার এলএ (সা) ৭/ ১৩- ১৪ কেসের মাধ্যমে অধিগ্রহণ করে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অনুকূলে হস্তান্তর করা হয়। যা ১ বছর আগে ৯৬ ভাগ জমির মালিক বহু খড়কুটো পুড়িয়ে ২ কোটি ৬০ হাজার টাকা উত্তোলন করেন।
বিভিন্ন সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে সাবেক এমপি অ্যাড. সোহরাব আলী সানা জানিয়েছেন, ২০১৪ সালের ২২ ফ্রেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রকল্পের স্থান পরিবর্তন ও নির্ধারিত স্থান সম্পর্কে এমপি অ্যাড. শেখ মো. নুরুল হক অনুপযোগী পরিবেশ, খানা-খন্দে ভরা, পানিতে নিমজ্জিত নেতিবাচক ডিও লেটার দিলে গত বছরের বর্ষা মৌসুমের ২৫ সেপ্টম্বর পরিকল্পনা কমিশনের পদস্হ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অধিগ্রহণকৃত জমিতে ১০-১২ ফুট পানি উল্লেখ করে অস্বচ্ছ প্রতিবেদন দেওয়ায় প্রকল্পের কাজ স্থগিত হয়ে যায়। এ ঘটনায় সরকারি দল, খোদ প্রশাসনও বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে।

আরও পড়ুন