তারাউজিয়াল মসজিদে ঈদের নামাজ পড়েন নারীরাও

আপডেট: 02:04:59 07/07/2016



img

শিমুল হাসান, মাগুরা : জেলার শ্রীপুর উপজেলার তারাউজিয়াল গ্রামের ২০০ বছরের পুরনো বাইতুল আমান জামে মসজিদটি কালের সাক্ষী হয়ে নতুন রূপে দ্যুতি ছড়াচ্ছে। মসিজিদটির দুটি ফ্লোরে একসঙ্গে ২০০ জন মুসল্লি নামাজ পড়তে পারেন। এর বিশেষত্ব হলো প্রতি জুমায় এবং দুই ঈদে এলাকার নারীরা এখানে নামাজ আদায় করেন; অবশ্যই পর্দার সাথে।
এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্যমতে, জমিদার মরহুম রতন মিয়ার পূর্বপুরুষেরা মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। পরে মসজিদ কমিটির সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী, দানশীল মরহুম বদরুদ্দোজা (ঠান্ডু মিয়া)।
নির্মাণকালে মসজিদটি একতলা ছিল। পরে একটি বিদেশি সংস্থার সহযোগিতায় ২০০৬ সালে এলাকাবাসী মসজিদটিকে দোতলায় উন্নীত করেন। পরে ২০০৯ সালে জমিদার রতন মিয়ার নাতি মঞ্জুর মোর্শেদ মসজিদটির দ্বিতীয় তলা পূর্ণাঙ্গ রূপ দেন।
বর্তমানে আধুনিক ফিটিংসে নান্দনিকভাবে সজ্জিত এ মসজিদটিতে রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও অত্যাধুনিক সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবহার।
প্রতি জুমা ও দুই ঈদে মসজিদের দোতলায় পর্দার সাথে নারীরা নামাজ আদায় করেন।
প্রত্যন্ত গ্রামের এ মসজিদটি মাগুরা জেলার একটি দর্শনীয় মসজিদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এটি দেখতে ও এক ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসেন মুসল্লিরা।
এ এলাকার বাসিন্দা তাসিন জামান জানান, এটি এলাকার সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ। শত শত মুসল্লি এখানে নামাজ আদায় করেন। তবে দুঃখের বিষয় উপজেলা সদরের মূল পাকা সড়ক থেকে মসজিদে যাওয়ার রাস্তাটি এখনো কাঁচা রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে মুসল্লিদের কাদাপানি ভেঙে মসজিদে আসতে হয়।

আরও পড়ুন