ওপারে সমস্যা, বেনাপোল-পেট্রাপোলে বাণিজ্য বন্ধ

আপডেট: 03:41:54 08/01/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : ভারতীয় পেট্রাপোলে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও কাস্টমসের মধ্যে বিরোধকে কেন্দ্র করে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সোমবার সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে।
অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও নানা হয়রানির প্রতিবাদে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ করে দেয় ভারতের পেট্রাপোল চেকপোস্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠন। আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকার ফলে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় পচনশীল পণ্যসহ শত শত ট্রাক আটকে আছে ভারতীয় পেট্রাপোল বন্দর এলাকায়। অন্যদিকে রপ্তানি পণ্য নিয়ে বাংলাদেশি ট্রাকও দাঁড়িয়ে আছে বেনাপোল চেকপোস্টসহ আশেপাশের এলাকায়। বাংলাদেশের সিংহভাগ শিল্প-কলকারখানা ও গার্মেন্ট ইন্ডাস্ট্রির ৯০ ভাগ কাঁচামালই বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি হয়ে থাকে।
বেনাপোলের বিপরীতে ভারতের পেট্রাপোল চেকপোস্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী জানান, ভারতীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ রেট বাড়িয়েছে। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে নানাভাবে হয়রানিও করা হচ্ছে। এছাড়া কাস্টমসের ইন্টারনেট লিংক খারাপ থাকার কারণে প্রায়ই আমদানি-রপ্তানি কাজে হিমসিম খেতে হচ্ছে। শত শত ট্রাক রপ্তানির জন্য আটকে থাকছে পেট্রাপোল বন্দরে।
‘বার বার কর্তৃপক্ষকে বলার পরও কোনো সমাধান হচ্ছে না। এ কারণে আমরা কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি। এ সব সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমাদের পক্ষে কাজ করা সম্ভব না,’ বলেন কার্তিক চক্রবর্তী।
বেনাপোল কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ জানান, ওপারে বিরোধকে কেন্দ্র করে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ভারতীয় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কর্মচারীরা দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে সোমবার সকাল থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে কোনো পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়নি।
বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ওপারের আমদানি-রপ্তানি বন্ধে আমাদের বন্দর ও কাস্টমসে কোনো প্রভাব পড়েনি। বন্দর থেকে পণ্য লোড-আনলোড স্বাভাবিক রয়েছে। কাস্টমস হাউজেও কাজ চলছে স্বাভাবিকভাবে।